জলমহালগুলো প্রকাশ্যে ইজারা ও শুকিয়ে মাছ ধরা বন্ধের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের জলমহালগুলো প্রকাশ্যে ইজারা প্রদান, ইজারাকৃত সকল জলমহাল খনন ও সেচ পাম্প দিয়ে জলমহাল শুকিয়ে মাছ ধরা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলন সংগঠন।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউজে      নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) নাহিদ হাসান খানের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের কাছে এসব দাবি জানিয়েছেন হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রতিমন্ত্রীর কাছে করা দাবিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বোরো মওসুমে বাঁধ ভেঙে অকালে সুনামগঞ্জের সকল হাওরের বোরো ফসলহাণি হয়েছে। হাওরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠী হাওর ও বিভিন্ন উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তাই হাওরাঞ্চলের জলমহালগুলোতে দরিদ্রদের মাছ ধরার সুযোগ প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি।  দাবিতে উল্লেখ করা হয়, জলমহালগুলো সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ও সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় এবং ইজারাদারগণ জলমহালগুলো খনন না করায় ভরাট হয়ে পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গেছে। যার কারণে সামান্য বৃষ্টির পানি জলমহালগুলো উপচে হাওরের বোরো জমির ধান তলিয়ে যায়। তাই জরুরি ভিত্তিতে ভরাটকৃত জলমহালগুলো খনন করা করতে হবে। সুনামগঞ্জ তথা হাওরাঞ্চলের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ইজারাকৃত জলমহালগুলো যাতে সেচ পাম্প দিয়ে শুকিয়ে মাছ ধরতে না পারে সে লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া দাবিতে উল্লেখ করা হয়, হাওরের অ-ইজারাকৃত জলমহালগুলো প্রকাশ্যে ইজারা প্রদান করা জরুরি, যাতে হাওরপাড়ের লোকজন জলমহাল ইজারার বিষয়টি জানতে পারেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের আহবায়ক অ্যাড. বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু, যুগ্ম আহবায়ক আবু সুফিয়ান, যুগ্ম আহবায়ক বিজন সেন রায়, সদস্য সচিব বিন্দু তালুকদার, সংগঠনের সদর উপজেলা শাখার আহবায়ক মালেক হুসেন পীর।