বিশ্বম্ভরপুরে নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে বিপাকে দলীয় প্রার্থীরা

সালেহ আহমদ, বিশ্বম্ভরপুর
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে দলীয় প্রার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। আগামী ৪ জুন ৬ষ্ঠ ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণার কোন কমতি নেই। দলীয় ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিরলসভাবে বিভিন্ন এলাকা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করে ভোট চাইছেন। উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে মোট ২৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তন্মধ্যে ৩ টি ইউনিয়নেই আ.লীগ ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় দলীয় প্রার্থীরা পড়েছেন বেকায়দায়।
ফতেপুর ইউনিয়নে ৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে আ. লীগের দলীয় প্রার্থী মো. শামছুজ্জামান শাহ, বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা যুবলীগ নেতা রনজিত চৌধুরী (রাজন) ও আ. লীগ নেতা মহিবুর রহমান গণসংযোগে তৎপর রয়েছেন।
পলাশ ইউনিয়নে মোট ৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে আ.লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী মো. সোলেমান মিয়ার সাথে উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম মাষ্টার বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মাঠে রয়েছেন।
সলুকাবাদ ইউনিয়নে ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। এর মধ্যে আ. লীগ দলীয় প্রার্থী মো. সফর আলী। এখানে আ.লীগ নেতা মো. আজিজুল হক বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে রয়েছেন।
অপর দিকে সলুকাবাদ ইউনিয়নের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছাত্রদল নেতা মো. মহন মিয়া থাকলেও বিএনপির অপর নেতা মো. রওশন আলী বিদ্রোহী হিসাবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আ. লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ মানিক বলেন, আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বুঝিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের চেষ্টা করা হবে। আমাদের অনুরোধ না রাখলে এ ব্যপারে দল সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা শেখ হাসিনার মনোনিত দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করব।
বিএনপির উপজেলার আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বলেন, সলুকাবাদ ইউনিয়নের তৃণমূল পর্যায়ে মতামতের ভিত্তিতে দলের ত্যাগী নেতা হিসেবে মো. রওশন আলীর প্রস্তাব কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয়ভাবে মো. মহন মিয়াকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। রওশন আলী বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এ ব্যাপারে আমার কোন মন্তব্য নেই।