গণতন্ত্র এখন লাইফ সাপোর্টে -খন্দকার মোশাররফ

সু.খবর ডেস্ক
দেশের গণতন্ত্র এখন আইসিইউর ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করে আওয়ামী শাসকদল নিজেরাই নিজেদের নির্বাচিত ঘোষণা করেছে। হারানো গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরে পেতে মাঠে নামতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যেদিন  আহ্বান জানাবেন সেই দিনেই মাঠে নামতে হবে।’
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জিয়াউর রহমানের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘শহীদ জিয়া, গণতন্ত্র ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এসব কথা বলেন।
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সরকারের উদ্দেশে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘বিএনপি জনগণকে সাথে নিয়ে রাজনীতি করে। জিয়াউর রহমানের পরিবার ও বিএনপিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করবেন না। অতীতে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। যত ষড়যন্ত্র করা হোক না কেন জনগণের মন থেকে বিএনপিকে মুছে ফেলা বা ধ্বংস করা যাবে না, সম্ভব হবে না।’
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে সব সময় আওয়ামী লীগ ভয় পায়। এজন্যই বিএনপি ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র চলছে। কারণ আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনায় যেখানে ব্যর্থ, বিএনপি সেখানেই সফল হয়েছে। গণতন্ত্র ও জিয়াউর রহমান একে অপরের সঙ্গে জড়িত। জিয়া একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র  
প্রতিষ্ঠা করেছেন।’
দলীয়করণের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আইন শৃঙ্খলা বলতে কিছুই নেই। রাষ্ট্রের প্রধানের কাজ হচ্ছে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অথচ এখন কারও জীবনের নিরাপত্তা নেই। পুলিশের মহাপরিদর্শক যেখানে বলেছেন ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করুন,  সেখানে সহজেই বুঝা যায় সরকারের নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষমতা কতটুকু? মূলত দেশের সবকিছুই ধ্বংসের দিকে।’
উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্তদের রক্ষায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মী ও পেশাজীবীদেরও মানবতার সেবায় এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ড্যাবের সভাপতি ডা. এম আজিজুল হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, ড্যাব নেতা ডা. এম এ কদ্দুস, ডা. এম এ সালাম, ডা.শহিদুল আলম, ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ডা. রফিকুল কবির লাবু,  বিএনপি নেতা দীপেন  দেওয়ান।