স্টাফ রিপোর্টার, দিরাই
দিরাইয়ে পৃথক সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধসহ ৪০ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৭ জনকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ১৯ জনকে দিরাই ও জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
বুধবার দুপুরে শিরনী খাওয়া নিয়ে উপজেলার জগদল ইউনিয়নের মাতারগাঁও গ্রামের এলাইছ মিয়া ও নুরুল হকের মধ্যে এবং শিশুর ঝগড়া নিয়ে রফিনগর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের ইউপি সদস্য বদরুল আলম ও আমির উদ্দিনের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সিলেট ভর্তি আহতরা হলেন, মাতারগাঁও গ্রামের এলাইছ মিয়া, সঞ্জব আলী, আনসার মিয়া ও সফি আলম। এর মধ্যে গুলিবিদ্ধ এলাইছ মিয়া ও সুজন মিয়া এবং টেটা বিদ্ধ শফি আলমের আবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন, জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা।
পুলিশ ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে মাতারগাঁও গ্রামের সিরাজ মিয়া রোগাক্রান্ত হয়ে মারা গেলে তার চাচাতো ভাই নুরুল হক গরু জবাই করে খাওয়ালে তার স্বজনদের কেউ কেউ নাখোশ হন। এ নিয়ে বুধবার এলাইছ মিয়া ও নুরুল হকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কিছু সময়ের মধ্যেই পুরো গ্রামবাসী দ্বিধাবিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষ চলাকালে ৩/৪ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়।
অপরদিকে মির্জপুর গ্রামের মোশাররফ মিয়ার ছেলে তানবির ও কদর আলীর ছেলে শাহাজ্জামানের মধ্যে মঙ্গলবার ঝগড়া হয়। এর জের ধরে বুধবার আমির উদ্দিনের ছেলে সেলিম মিয়া বাংলাবাজারে যাবার পথে প্রতিপক্ষের আক্রমণের শিকার হন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়ালে ১৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে আজি রহমান, ছদরুল আলম ও বদরুল আলমকে সিলেট ওসমানি মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।
- বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে- আইনী প্রতিকার ও সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত সন্ত্রাসী হামলার শিকার মানিক মিয়া
- ঈদে টানা ৯ দিন ছুটি


