পিসি দাস, শাল্লা
দিরাই-শাল্লা ও জামালগঞ্জ এই তিন উপজেলার কৃষকদের জমি রয়েছে কালিকুঠা হাওরে। এই হাওরের অনেক বাঁধে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কাজই শুরু হয় নি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত হাওরের তলানির উপজেলা শাল্লার হাওরাঞ্চল ঘুরে দেখার সময় বাঁধের কাজের এই অবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। হাওর ঘুরে এসে উপজেলা গণমিলনায়তনে পিআইসি’র (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) সদস্যগণ এবং উপজেলা হাওর রক্ষা বাঁধ বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, হাওররক্ষা বাঁধ নির্মাণে কোন অনিয়ম বা গাফিলতি মেনে নেওয়া হবে না।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, কাউকে জোর করে পিআইসিতে যুক্ত করা হয় নি। নিজেরা আবেদন করে পিআইসিতে যুক্ত হয়েছেন। এখন সময়মত বাঁধের কাজ না করলে বা বাঁধের কাজে অনিয়ম করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতবিনিময় সভায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলামিন চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মুক্তাদীর আহমদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এর আগে সকাল থেকে কালিকুঠা হাওরের ৫৬ নম্বর পিআইসি থেকে ৬৬ নম্বর পর্যন্ত পিআইসি’র করা বাঁধের কাজ দেখেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক সরেজমিনে ঘুরে দেখার হাওরের গুরুত্বপূর্ণ ৫৭. ৫৮, ৬০ ও ৬৬ নম্বর পিআইসি’র কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেক বাঁধে কাজ হয়েছে, কিন্তু কমপেকশন ঠিকমত হয়নি দেখেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন জো প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক পিআইসি’র দায়িত্বশীলদের বলেন, এখন সতর্ক করে দেবার সময়ও শেষ হয়ে গেছে। বাঁধ নির্মাণে কেউ গাফিলতি করলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসকের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্টেট ও পাউবো’র প্রকৌশলীরাও যান। তাঁরা শাল্লায় গিয়ে ৭ টি আলাদা আলাদা দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ পরিদর্শন করে।


