ধর্মপাশায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশায় হুমায়ূন কবির নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের ৪০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হুমায়ূন কবির উপজেলার বীর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি লুৎফুর রহমান উজ্জ্বল গত ২৩ জুন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।  জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উন্নয়ন প্রকল্পের (পিডিবি-৩) আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ বিদ্যালয়ে উপকরণ ক্রয়, খেলাধুলার সরঞ্জামাদিসহ নানাবিদ উন্নয়ন কাজের জন্য ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হুমায়ূন কবির গত ১২ জুন বরাদ্দ পাওয়া টাকা উত্তোলন করেন। তবে গত ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও তা করেননি তিনি।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি লুৎফুর রহমান উজ্জ্বল জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির ভূঁয়া কাগজপত্র দাখিল করে বরাদ্দ পাওয়া টাকা উত্তোলন করে কাজ না করে আত্মসাত করেছেন।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে এতোদিন বিদ্যালয়ের কাজ করাতে পারেননি। তবে তিনি আগামি দুই তিনদিনের মধ্যে কাজ শুরু করবেন বলে জানান।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকেয়া আক্তার খাতুন জানান, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে এ পদ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হযরত আলী জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। তবে অর্থ আত্মসাতের সত্যতা পাওয়া গেলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।