অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে সিএনজি চালকরা

পুলক রাজ
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেও গণপরিবহণে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। পাঁচজন করে এক সিএনজিতে তোলা হচ্ছে। নিয়ম না মেনে সব আসনেই লোক নিলেও ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ। অনেক যাত্রীরাও আবার স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। ফলে করোনার ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। আগের মতোই পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন উপজেলায় আসা যাওয়া করছে সিএনজিগুলো।
সরেজমিনে পৌর শহরের পুরাতন কোর্ট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, আব্দুর জহুর সেতু ও সিএনজি স্ট্যান্ড গিয়ে দেখা যায়, নিয়ম না মেনে বেশি যাত্রী তুলেও লকডাউন পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে দ্বিগুণ ভাড়া হাতিয়ে নিচ্ছে চালকরা।
যাত্রী মোবারক হোসেন বলেন, একটা সিএনজিতে ৩ জন করে যাত্রি নিয়ে যাওয়ার কথা, কিন্তু পাঁচটা আসন ফিলাপ করে ছাড়ছে গাড়ী। ড্রাইভার কিছুই মানছে না। এর মধ্যে বেড়েছে দ্বিগুণ ভাড়া। স্বাস্থ্যবিধি যদি না মানে তবে আগের ভাড়া নিচ্ছে না কেন। পাগলা লোকাল ভাড়া ৩০ টাকা কিন্তু লকডাউন দেওয়ার পর যার কাছ থেকে যতো পারছে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। ড্্রাইভারদের যেন ইদ শুরু হয়েছে।
যাত্রী আশরাফ উদ্দীন বলেন, জাউয়া বাজার সিএনজি রিজার্ভ করে ৩০০/৩৫০ টাকা করে গিয়েছি। এখন ৫০০/৬০০ টাকার কমে যায় না। আমাদের মতো যাত্রীরা মহা বিপদে আছি। এর মধ্যে স্বাস্থ্যবিধিও মানছে না চালকরা।
চালক আশিক মিয়া বলেন, অনেক বার বলার পরেও যাত্রীরা সচেতন হচ্ছে না। আমরা যাত্রীদের বলি আপনারা মাস্ক পড়েন, আমি ৩ জনের বেশী যাত্রী নিবো না। কিন্তু যাত্রীরা এসব কথা কান দিচ্ছে না বরং তারাই বলছেন, করোনা টরোনা কিছু আসে যায় না। তো কি আর করবো আমাদের তো পেট বাঁচাতে হবে।
যাত্রী ফরিদ আহমদ বলেন, লকডাউনের নাম বেঁচে সিএনজি চালকরা আমাদের মতো যাত্রীদের কাছ থেকে বেশী ভাড়া আদায় করছে। এতে সিএনজি চালকের কাছে জিম্মি হয়ে থাকতে হচ্ছে। সাচনা বাজার সিএনজি রিজার্ভ ২৫০/৩০০ টাকায় সব সময় যাই। কিন্তু লকডাউন দেওয়ার পর ৫০০ টাকার কমে যাওয়া যাচ্ছে না। এরকম চললে তো সমস্যায় পড়বো আমরা সাধারণ যাত্রীরা।