অনেক ব্যাংকেই নেই গ্রাহক সুরক্ষা

স্টাফ রিপোর্টার
‘আমাদেরকে মাস্ক ব্যবহার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড ওয়াস ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। শুধু আমাদের ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ গুলো ব্যবহার করছি। গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই।’ বলছিলেন শহরের উত্তরা ব্যাংকের ম্যানেজার মো. হাছিবুর রহমান।
এভাবে পৌর শহরের বেশীরভাগ ব্যাংকেই নেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গ্রাহকদের সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই। মাত্র দুইটি ব্যাংকে গ্রাহক সুরক্ষায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে শহরের সোনালী ব্যাংকে এবং বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইসলামী ব্যাংকের প্রবেশ গেইটে এই ব্যবস্থা করা হয়।
সোনালী ব্যাংকের এজিএম শেখ মোহাম্মদ সুজাদুল হক জানান, গ্রাহক ও অন্যান্য মানুষের সুরক্ষার জন্য ব্যাংকে প্রবেশের গেইটের পাশে স্যানিটাইজার ও টিস্যু দেয়া হচ্ছে। মানুষকে সচেতন করার জন্য একাধিক লোক রাখা হয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক সুনামগঞ্জ শাখার ম্যানেজার মোহাম্মদ রবিউল্লাহ জানান, আজকাল হ্যাক্সাসল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। সংক্রমণ রোধে সকল গ্রাহকদের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও টিস্যু রাখা হয়েছে।
শহরের পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তা প্রণব কান্তি রায় জানান, আমরা ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছি। গ্রাহকদের সুরক্ষার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই।
অগ্রণী ব্যাংকের ম্যানেজার ছামিনুর রহমান জানান, ব্যাংকের ভেতরে পরিচ্ছন্ন রাখছি এবং মাস্ক ব্যবহার করছি। ব্যাংকে আগত গ্রাহকদের সুরক্ষার জন্য কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি।
শহরের কৃষি ব্যাংকের এজিএম মৃন্ময় চক্রবর্তী বলেছেন, দিন দিন গ্রাহকের পদচারণা কমে আসছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি।
রূপালী ব্যাংকের ম্যানেজার বখত মোহাম্মদ আবুল মিয়া জানান, আমরা মুখে মাস্ক ব্যবহার করছি। হ্যান্ডওয়াস ব্যবহার করে আসছি। কিন্তু আগত ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য কোনো ব্যবস্থা করিনি আমরা।
সেবা গ্রহিতা মোহাম্মদ আব্দুস শহিদ বলেন, ‘আমি সকালে কৃষি ব্যাংকে গিয়েছিলাম, কিন্তু আমাদের সুরক্ষার জন্য কোনো হ্যান্ডওয়াস রাখা হয়নি। লেনদেন শেষে চলে আসি।’
রূপালী ব্যাংকের গ্রাহক মিটু মিয়া বলেন,‘টাকা থেকে সহজে ভাইরাস ছড়ায়। তাই সকল ব্যাংকে ভাইরাস মুক্ত হওয়ার যথাযথ ব্যবস্থা রাখা জরুরি প্রয়োজন।’