অভিযোগকারীকে প্রধান শিক্ষকের মারধর

জামালগঞ্জ অফিস
জামালগঞ্জের খুঁজারাগাও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর সমাজপতির বিরুদ্ধে রাতে মদ জুয়ার আড্ডাসহ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকারীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তের আগেই প্রধান শিক্ষক শংকর সমাজপতি অভিযোগকারী সুব্রত পুরকায়স্থকে স্কুল সময়ে জামালগঞ্জ  
পেয়ে তাকে মারধর করেন বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জামালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সুব্রত পুরকায়স্থ জামালগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। এই ঘটনায় পর সুব্রত পুরকায়স্থ বাদী হয়ে জামালগঞ্জ থানায় শংকর সমাজপতির নাম উল্লেখ করে ও আরো অচেনা কয়েকজনকে আসামী করে অভিযোগ দাখিল করেছেন। এদিকে অভিযোগের পরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
সুব্রত পুরকায়স্থ বলেন,‘আমার অভিযোগের পর আজ তদন্ত যাওয়ার কথা। আমি জামালগঞ্জ বাজারে বিল্লালের চায়ের দোকানে চা খেতে বসলে প্রধান শিক্ষক শংকর সমাজপতি আমাকে দেখে গালাগাল করতে থাকেন। এক পর্যায়ে আমাকে কয়েকজন মিলে আঘাত করতে থাকে। আমার চোখের উপরের অংশ ছুরির আঘাতে কেটে যায়, কয়েকটি সেলাই লেগেছে।’
খুঁজারগাও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর সমাজপতি বলেন,‘বিল্লালের চায়ের স্টলে সুব্রত’র সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়েছে। আমি চাকু দিয়ে তাকে কোন আঘাত করিনি। আমার সাথে অন্যান্য শিক্ষকরাও ছিলেন।’     
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূরুল আলম ভুইয়া বলেন,‘আমি বিষয়টি শুনেছি, ঘটনাটি অত্যন্ত দু:খজনক। কোন শিক্ষক এভাবে বাজারের মধ্যে মারামারি করতে পারেন না। আমি ঘটনাটি তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান বলেন,‘ঘটনার পর পরই শুনেছি, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উল্লেখ্য, ফেনারবাঁকের খুঁজারাগাও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর সমাজপতির বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একই গ্রামের মৃত প্রদীপ রঞ্জন পুরকায়স্থর ছেলে সমাজকর্মী সুব্রত পুরকায়স্থ লিখিতভাবে এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।