আজীবন গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন ম. আ. মুক্তাদির

লন্ডন প্রতিনিধি
ম.আ.মুক্তাদির শুধু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাই ছিলেন না, একজন প্রগতিশীল সংগঠন এবং বৃটেনে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সকল ধরনের লোভ লালসার উর্ধে থেকে আজীবন গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। কলেজে অধ্যয়নকালীন সময়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে, এর পর যুক্ত হন প্রগতিশীল রাজনীতিতে। বৃটেনে অভিবাসী হওয়ার পর বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।  বীর মুক্তিযোদ্ধা ম. আ. মুক্তাদিরের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। বীর এই মুক্তিসেনা ১৯৯৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বৃটেনে মৃত্যুবরণ করেন। বক্তারা বলেন তার স্মৃতিকে ধরে রাখতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাবেক ছাত্রনেতা শাহাব উদ্দিনের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে ‘মুক্তাদির স্মৃতি কল্যাণ ট্রাস্ট’ নামে  সিলেটে একটি ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বৃটেন এবং আমেরিকাতে এই ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রতিবছর তার   মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। বক্তারা বলেন এই ট্রাস্টের মাধ্যমে তার স্মৃতিকে ধরে রাখতে  ট্রাস্টের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে হবে। গতকাল ১৮ সেপ্টেম্বর  সন্ধ্যায় পুর্বলন্ডনের মার্কেট ষ্ট্রীটের মেজামাইন রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় যুক্তরাজ্য বাসদের আহবায়ক গয়াছুর রহমান গয়াছের সভাপতিত্বে ও আব্দুল মালিক খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক-সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বাসন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সাবেক কাউন্সিলার রাজন উদ্দিন জালাল, বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ আব্দুস সালিক। ম. আ. মুক্তাদিরের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন কমিউনিটি নেতা জিল্লুল হক, ফখর উদ্দিন আহমদ, যুক্তরাজ্য জাসদের সহ সভাপতি অ্যাড. মুজিবুল হক মনি, শিক্ষাবিদ মোস্তাক আহমদ, টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি মেয়র সহিদ আলী, মনির উদ্দিন, রেদওয়ান খান প্রমুখ। এখানে উল্লেখ্য যে অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন শিক্ষাদিব মোস্তাক আহমদ।