শহীদ নূর আহমেদ
সুরমা নদীর উপরে অবস্থিত আব্দুজ জহুর সেতুটি জেলা শহরের সাথে জামলগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ধর্মপাশা উপজেলার যোগাযোগ স্থাপন করেছে। সেতুটি দৃষ্টিনন্দন হওয়ায় ইতোমধ্যে তা দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ছুটির দিনসহ প্রতিদিন বিকেলের দিকে সেতুতে নারী শিশু, কিশোর-কিশোরীসহ দর্শনার্থীদের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মত। সেতুর খুঁটির সাথে হেলান দিয়ে ছবি তোলা, পাশের পাটাতনে বসে গল্পগোজব করার দৃশ্য নিয়মিত। ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে দেখা যায় এই সকল দর্শনার্থীদের। আব্দুজ জহুর সেতুর শত ইতিবাচক দিক থাকলেও মূল সেতুর দুই পাশের এপ্রোচে র্যালিং না থাকায় ঘি ভাতে কাঁটার রূপ নিয়েছে। সেতু থেকে মুল সড়ক অনেক নীচু হওয়ায় সেতুর কিনার দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় পথচারীদের। সেতুতে আলোর কোন ব্যবস্থা না থাকায় রাতের অন্ধকারে অধিক ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয় পথচারীদের।
চলাচলে একটু এদিক সেদিক হলেই সরু পিচ্ছিল পাকা কিনারা থেকে ছিঁটকে অনেক নীচের সড়কে পরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা পথচারী ও দর্শনার্থীদের। এদিকে চলাচলে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে নারী ও শিশুরা। মা বাবার সাথে বেড়াতে আসা শিশুদের লাফালাফি ও ছুটাছুটি করতে দেখা যায় সেতুর উপরে। কখন যে ঁিছঁটকে পরে প্রাণঘাতি ঘটনা ঘটতে পারে তা বলার অবকাশ রাখে না। পথচারী ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ইতোমধ্যে ছিঁটকে পরে ছোটখাটো কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনা এড়াতে সেতুতে র্যালিং না দিলে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
বিকেলের সময়ে সেতু এলাকায় বেড়াতে আসা জনৈক হোসাইন আহমদ মিসেল বলেন, আব্দুজ জহুর সেতু অনেক সুন্দর। সেতুর উপরে ছবি তুলতে ভাল লাগে।তাই মাঝে মধ্যে বিকেলের সময় বেড়াতে আসি। তবে পাশে র্যালিং না থাকায় সাবধান হয়ে হাঁটতে হয়।
মল্লিকপুরের বাসিন্দ সোহেল মিয়া বলেন, মুল সড়কের চেয়ে সেতু অনেক উচু। সেতু কে দৃষ্টিনন্দন করতে যে খাম্বা বসানো হয়েছে সেগুলো পথচারীদের চলাচলে নিরাপত্তাবিধান করতে পারে না। কিনারে দিয়ে হাটার সময় পিছলিয়ে নিচে পড়ে মৃত্যু ঘটতে পারে। তাই সেতুর দুই পাশে র্যালিং দেয়া উচিত ছিল। রাতের অন্ধকারে হাঁটার সময় ঝুঁকি নিয়ে সেতু পাড় হতে হয় পথচারিদের।
সেতুতে লাইটিং ব্যবস্থা ও র্যালিং স্থাপনে বিভিন্ন মহলের দাবি উঠলেও বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না সরক ও জনপথ বিভাগ । এব্যাপরে বুধবার সড়ক ও জসপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলামের সাথে মোবাইলফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও মোবাইলফোন না ধরায় তাঁর মতামত পাওয়া যায় নি।।
- কি ঘটছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ‘আতিয়া মহলে’?
- বারুণী স্নান ও শাহ্ আরেফিনের (রঃ) ওরস- সড়ক ভোগান্তির আশংকা এবারও


