Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $display_count follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292

Deprecated: Required parameter $total_shares follows optional parameter $sharing_type in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/sassy-social-share/public/class-sassy-social-share-public.php on line 292
আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টিতেই ভোগান্তি – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টিতেই ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার
আষাঢ়ের প্রথম দিনেই জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে পড়েছিলেন শহরের কিছু এলাকার মানুষ। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি ছিল সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস (পুরাতন জেল) ও পুরাতন জেল রোড এলাকায়। মহিলা কলেজের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে (পুরাতন জেল) হাঁটু সমান পানি মাড়িয়ে শিক্ষার্থীরা ঢুকেছেন পরীক্ষার হলে।
সরকারি মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারহানা শারমিন বললেন, ভারী বর্ষণের মধ্যেই পরীক্ষা দিতে এসেছি। আজ ইংরেজি পরীক্ষা ছিল। ক্যাম্পাসে এসে হাঁটু সমান পানি দেখে ভয় লেগেছিল, পরে কাপড় ভিজিয়েই ঢুকেছি পরীক্ষার হলে।
শিক্ষার্থী ইশিতা জাহান চম্পা বললেন, বৃষ্টির পানি নামতে না পেরে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। পানি দেখে আমাদের ভয় লেগেছে। আমাদের অভিভাবকরাও চিন্তিত ছিলেন।
জেল রোড এলাকার দোকানী রাজু সরকার বললেন, সড়কে পানি নিস্কাশনের ড্রেন আছে। ড্রেনে ময়লা জমে থাকায় আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টিতেই ডুবেছিল সড়ক। এই এলাকার দোকানদাররা পড়েছিলেন সংকটে। কারো কারো ঘরেও পানি লেগেছে। কিছু মালামালও নষ্ট হয়েছে।
জলাবদ্ধতার পানি আটকা পড়েছিল শহরের জগন্নাথবাড়ি, বিলপাড়, পশ্চিম নতুনপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকায়।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখ্ত বললেন, আষাঢ়ের প্রথম দিনেই ভারী বর্ষণে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছিল। আমাদের কর্মীরাও দ্রুত এসব এলাকার পানি সরানোর কাজ করেছে। ভরাট হওয়া ছিদ্রগুলো পরিস্কার করে দেওয়ায় অনেক এলাকার পানি সরেছে। যেহেতু আগামী ছয়দিন বৃষ্টি হবে, আমরাও সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। তিনি জানান, ময়লায় ভরাট হওয়া ড্রেনগুলো পরিস্কারের কাজ অব্যাহত রেখেছেন পৌরসভার কর্মীরা।
রাজধানীর আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বললেন, সুনামগঞ্জে আগামী তিনদিন ভারী বৃষ্টি হবে। উজানেও অর্থাৎ মেঘালয় চেরাপুঞ্জিতেও বৃষ্টি আছে। এরপরের দশদিনও কম বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস আছে। এই বৃষ্টি জুলাই পর্যন্ত টানা অব্যাহত থাকলে বন্যা হতে পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানালেন, হাওরে পানি ধারণ ক্ষমতা এখনো প্রচুর রয়েছে। আগামী একসপ্তাহের বৃষ্টিতে বন্যা হবার আশংকা নেই।