ইউএনও’র মোবাইলফোন ক্লোন করে চাঁদা দাবি

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান’র সরকারি মুঠোফোন ক্লোন করে উপজেলার কলেজ ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের কাছে টাকা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত সোমবার সন্ধ্যায় ইউএনও মেহেদী হাসান এর সরকারি মুঠোফোন নম্বর ০১৭৩০৩৩১১১৯ ক্লোন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ল্যাপটপ বরাদ্দ পাওয়া গেছে জানিয়ে বিকাশে জরুরি ভিত্তিতে টাকা পাঠানোর কথা বলা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে যোগাযোগ করলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ইউএনও জগন্নাথপুর এর ফেসবুক পেইজে প্রতারক থেকে সাবধান থাকার আহ্বান জানিয়ে তাঁর সরকারি মুঠোফোন ক্লোন হওয়ার কথা জানান।
জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর উচ্চ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফররুখ আহমদ বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি মুঠোফোন থেকে সাড়ে সাতটায় আমাকে ফোন করে বলে আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি ল্যাপটপ সরকার থেকে বরাদ্দ পাওয়া গেছে। আমি এখন ডিসি অফিসে আছি। আপনি এই মুহূর্তে ৯ হাজার টাকা এই ০১৬৩৭৬৮৮০৮৫ নম্বারে পাঠান। বিষয়টি সন্দেহ হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে যোগাযোগ করে তাঁর সরকারি নাম্বার ক্লোন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হই।
শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এম এ মতিন বলেন, আমাকে ইউএনও’র সরকারি মুঠোফোন থেকে বারবার ফোন করছিল। ফোন করে টাকা চায়। তখন সন্দেহ হলে আমি বিষয়টি নিশ্চিত হতে নানা প্রশ্ন করি, তখন প্রতারক চক্র ফোন কেটে দেয়।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করে বিকাশ নাম্বারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতারণার বিষয়ে সর্তক হতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কারো কাছ থেকে টাকা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে শিক্ষকদেরকে ফোন করছে বলে শিক্ষকরা জানিয়েছেন।