স্টাফ রিপোর্টার
নিম্ন আয়ের মানুষকে স্বস্তি দিতে সারা দেশে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় খোলাবাজারে (ওএমএস) চাল ও আটা বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জে খোলা বাজারে প্রতি কেজি ৩০ টাকায় চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। ১১ উপজেলায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ওএমএস’র চাল বিক্রয় শুরু হয়েছে। ৩৩ কেন্দ্র থেকে এই চাল বিক্রয় করবেন ৩৩ ডিলার। ৩৩ জন ডিলার চার পৌরসভা ও সাত উপজেলা সদরের ৩৩ পয়েন্টে প্রতিদিন দুই টন চাল বিক্রয় করবেন। ৩০ টাকা কেজি দরে একজন ক্রেতা দিনে পাঁচ কেজি চাল ক্রয় করতে পারবেন। একই সঙ্গে টিসিবি কার্ডধারীরাও মাসে দুইদিন পাঁচ কেজি করে চাল ক্রয় করতে পারবেন। প্রত্যেক ডিলার প্রতিদিন চারশ ক্রেতার হাতে চাল তুলে দেবেন। সাধারণ মানুষ যাদের টিসিবি কার্ড নেই তাদের এনআইডি কার্ডের বিপরীতে একই পরিমাণ চাল দেওয়া হবে।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন বাসস্টেশন এলাকায় সকালে ওএমএস’র চাল বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হুরে জান্নাত। এসময় তিনি বলেন, যারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠী রয়েছেন তারা এই কর্মসূচি চালুর ফলে উপকৃত হবে। নিরবিচ্ছন্ন খাদ্য সরবরাহে খাদ্য মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী এবং সচিব স্যার আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। মানুষ ঠিক মতো চাল পাচ্ছেন কি না এবং মানুষ কি অবস্থায় আছে সেটা দেখার জন্য।
সুনামগঞ্জের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দ্রব্যমূল্যের অস্থিরতা এবং সেই কারণে দেশে দ্রব্যমূল্যে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই প্রান্তিক মানুষের সুবিধার জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় খোলাবাজারে (ওএমএস) চাল ও আটা বিক্রি শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশে খাদ্য শস্যের কোন অভাব নাই। সুনামগঞ্জে শহরে ৯টা সেন্টার এবং শহরের বাইরে ২৪টা সেন্টারে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। দুর্নীতি তো দূরের কথা যদি কোন অনিয়মও তাহলে আমরা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেব। জনগণের ভোগান্তির সুযোগ নিয়ে কাউকে ব্যবসা করার সুযোগ দেয়া হবে না। তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ভিজিডি’র আওতায় জনসাধারণ খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে।
এসময় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নকিব সাদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।


