স্টাফ রিপোর্টার
‘মুজিববর্ষে পুলিশ নীতি-জনসেবা আর সম্প্রীতি’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে এই উপলক্ষে বের হওয়া র্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ- ৪ আসনের সংসদ সদস্য বিরোধী দলীয় হুইপ অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ্, জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু সাঈদ ও জয়নাল আবেদীন, কমিউনিটি পুলিশের সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ যোদ্ধা হিসেবে বাঙালির বীর পুলিশ সদস্যরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে গড়ে তুলে দুঃসাহসিক সশস্ত্র প্রতিরোধ। মহান স্বাধীনতার ঊষালগ্নে শত্রুর বিরুদ্ধে গর্জে উঠে বাঙালি পুলিশের থ্রি নট থ্রি রাইফেল।
বক্তারা বলেন, বর্তমান পুলিশ রাষ্ট্রের অভ্যন্তরিণ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য অতন্দ্র প্রহরির ন্যায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ এ স্লোগানকে ধারণ করে পুলিশ ও জনগণের মাঝে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস, শ্রদ্ধাবোধ, সহযোগিতা ও সহমর্মিতা বৃদ্ধির প্রয়াস হিসেবে অপরাধ প্রতিরোধে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে, পুলিশিং কার্যক্রমকে গতিশীল ও সেবাধর্মী করে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বক্তারা বলেন, মানুষ যদি আইন না মানে এবং শ্রদ্ধাশীল না হয় তাহলে পুলিশ দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। সারাদেশে দুর্গাপূজায় সহিংসতা ছড়িয়ে কিছু কিছু জেলায় ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের সুনামগঞ্জের এধরণের কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এজন্য বিশেষভাবে অবদান রেখেছেন রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসন ও কমিউনিটি পুলিশ।


