জগন্নাথপুর অফিস
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, হাওর ও ভাটি অঞ্চলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দরদ রয়েছে। তাই তিনি হাওর ও ভাটি অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা হাওর ও ভাটি অঞ্চলকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নিয়ে আসতে কাজ করছি। এসব উন্নয়নমূলক কাজ দেখে সুনানগঞ্জের একটি মহল নানা অপপ্রচার শুরু করেছেন। সুনামগঞ্জের উন্নয়নের বিরুদ্ধে তাদের এমন অপপ্রচারে আমি ব্যথিত।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সরকার বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্থিতি সফলতার সহিত মোকাবেলা করে যাচ্ছেন। আমরা আশা করি আগামী ১৫ দিনে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জগন্নাথপুর উপজেলায় দুই শত কোটি টাকা ব্যয়ে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে উপরোক্ত কথা বলেন।
পরে পরিকল্পনা মন্ত্রী ২ কোটি ১৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৭৩ টাকা ব্যয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ও ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নতুন ভবনেট উদ্ধোধন করেন।
এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর জেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি বিভাগের উপ পরিচালক ফরিদুল হাসান, বিডাব্লিউডির কর্মকর্তা মমিন আহমদ, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুর রব সরকার সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
পরে পরিকল্পনামন্ত্রী জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে সমাজ কল্যাণ সংস্থার অর্থ বিতরণ করেন। পরে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ এর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।


