কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল দখল নিয়ে উত্তেজনা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শাš

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দখল নিয়ে শনিবার বাস মালিক সমিতির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। সকালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির আব্দুশ শফিক ও আব্দুল মুকিত মুকুল পক্ষ টার্মিনাল দখলে নিলে মজিবুর রহমান ও বদর উদ্দিন বাবুল পক্ষ বাধা দেয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
বাসমালিক সমিতি’র একাধিক সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সাল থেকে সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি’র কার্যক্রম চলে আসছে। এই কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন মজিবুর রহমান ও বদর উদ্দিন বাবুল।
গত ৪ মে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির কেন্দ্রীয় মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ হাজী আব্দুল শফিককে সভাপতি ও আব্দুল মুকিত মুকুলকে সাধারণ সম্পাদক করে ১১ সদস্যের কমিটি করে দেন।
এই পক্ষের নেতা জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে শনিবার সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এই কমিটির নেতারা দখলে নেন। সকাল থেকে তারা সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে বাস চলাচল শুরু করলে অন্য পক্ষ  
বাধা দেয়। এসময় উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
রাত ৯ টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পুলিশ দুই পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসেছে।
আব্দুশ শফিক ও আব্দুল মুকিত মুকুলের পক্ষের নেতা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘১৩ বছর ধরে সমিতি দখল করে রেখেছেন বদর উদ্দিন বাবুলসহ কিছু লোকজন। সমিতির হিসাব নিকাশেও অস্বচ্ছতা রয়েছে, এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় কমিটি নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব দিয়েছে’।
অপরদিকে বদর উদ্দিন বাবুল বলেন, ‘সমিতির অভ্যন্তরীণ কোন্দল দেখা দেওয়ায় ইতিপূর্বে স্বত্ব মামলা হয়েছে এবং আদালত বর্তমান দায়িত্বশীলদের কাজ চালাতে বিঘœ সৃষ্টি না করতেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে’। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অসত্য দাবি করে তিনি বলেন, ‘নতুন কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটি করে দিলে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেবার নির্দেশও হয়তো দেবেন’।

 
Í