স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা মুছে দিতেই হয় গণহত্যা

স্টাফ রিপোর্টার
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শেখ মহিউদ্দিন’র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ এহসান শাহ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিজন কুমার সিংহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আলী আমজদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান।
সভায় জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী বলেন, বাঙালির স্বাধীনতার আকাক্সক্ষা মুছে দেওয়ার জন্য গণহত্যা শুরু করেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। ২৫ শে মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান অপারেশন সার্চ লাইট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করে করাচি চলে যান। সেনা অভিযানের শুরুতেই হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেফতারের আগে ২৬ মার্চ (২৫ মার্চ মধ্যরাতে) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং যে কোন মূল্যে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। বঙ্গবন্ধুর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র লড়াই শেষে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।
এদিকে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পিটিআই বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। রাত ১০.৩০ থেকে ১০.৩১ (এক মিনিটের জন্য) প্রতীকী ব্লাক আউট অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও ২৫শে মার্চ রাতে নিহতদের স্মরণে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।