সু.খবর ডেস্ক
সরকারি গেজেটের মাধ্যমে ভুমি কর পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের ক্ষমতা প্রদান করা সংক্রান্ত ভূমি উন্নয়ন কর অধ্যাদেশ-১৯৭৬ এর ধারা কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি জে এন দেব চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এস এম মনিরুজ্জামান।
ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া সাংবাদিকদের জানান, এক সপ্তাহের মধ্যে অর্থ সচিব, আইন সচিব, সিনিয়র সচিব (ভূমি) ও বরিশালের জেলা প্রশাসককে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, ভূমি উন্নয়ন কর অধ্যাদেশ-১৯৭৬’এর ৩ ধারার (১/এ) তে বলা হয়েছে- সরকার অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর পুনর্বিবেচনা, বর্ধিত কিংবা হ্রাস করতে পারবে। কিন্তু সংবিধানের ৮৩ অুনচ্ছেদ অনুসারে সংসদের আইন বা কর্তৃত্ব ব্যাতিত কোনো কর আরোপ করা যাবে না। তাই গেজেটের মাধ্যমে কর হ্রাস বৃদ্ধিতে সরকারের এ ক্ষমতা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অথচ ২০১৫ সালের ৩০ জুন ভূমি উন্নয়ন কর অধ্যাদেশ-১৯৭৬ এর ৩ ধারার (১) (এ) অনুসারে ভূমি উন্নয়ন কর বৃদ্ধি করে গেজেট জারি করে তৎকালীন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।
এ গেজেট অনুসারে কর বাড়ায় বরিশালের কৃষক দেওয়ান আবদুর রশিদ বাড়ানো কর দিতে অপরাগ বিধায় তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। তিনি বর্ধিত ভূমি খাজনা প্রত্যাহার বিষয়ক কমিটিরও আহ্বায়ক। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আজ আদালত এই আদেশ দেয়।


