ছদ্মবেশে নির্বাচনে বিতর্কিত জামায়াত চেয়ারম্যান পদে ৩ ও সদস্য পদে ৩৫ প্রার্থী

বিশেষ প্রতিনিধি
দল হিসাবে নিবন্ধিত না থাকায় নির্বাচন কমিশন থেকে জামায়াতের প্রতীক (দাঁড়িপাল্লা) না পেলেও সুনামগঞ্জে ৫ম ধাপের ২০ টি এবং ষষ্ঠ ধাপের ২৬ টি ইউনিয়নের প্রায় সব কয়টিতেই ছদ্মবেশে ইউপি সদস্য প্রার্থী রয়েছে জামায়াতের। দলটির ৩ জন নেতা চেয়ারম্যান পদেও লড়বেন বলে জানা গেছে। অর্থাৎ বিতর্কিত এই দলটির নেতা কর্মীদের নিজেদের বলয়ে বা দলের প্রার্থীর সঙ্গে রাখার জন্যই জামায়াতের এই উদ্যোগ বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। জেলা জামায়াতের দায়িত্বশীলরা অবশ্য বলেছেন, ৫ম ও ষষ্ঠ ধাপের ৪৬ ইউনিয়নে ৩৫ জনের মতো ইউপি সদস্য প্রার্থী এবং ২ দলীয় নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ১ জন দলীয় সমর্থক চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন।
৫ম ধাপে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের ৭, দিরাইয়ের ৯ ও শাল্লার ৪ ইউনিয়নে জামায়াতের কোন দলীয় নেতা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হননি। তবে ইউপি সদস্য পদে এই ইউনিয়নগুলোর অনেকগুলোতেই প্রার্থী রয়েছে তাদের।
জামায়াতের    এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অন্য কোন দলের চেয়ারম্যান বা ইউপি সদস্য প্রার্থীর জন্য নয়, নিজের ওয়ার্ডের না হলেও দলের ইউপি সদস্যকে তাঁর (ঐ ইউপি সদস্যের) ওয়ার্ডে গিয়ে কাজ করে জয়ী করে আনার চেষ্টা করতে হবে।
ইউপি চেয়ারম্যান পদে জামালগঞ্জের ফেনারবাঁক ইউনিয়নে সুনামগঞ্জ পৌরসভা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক সিরাজুল হক অলি, বিশ্বম্ভরপুরের পলাশ ইউনিয়নে জেলা জামায়াতের সহসম্পাদক মাওলানা আবু হানিফ নোমান এবং তাহিরপুরের উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নে জামায়াতের সমর্থক সদস্য মাওলানা খায়রুল বাশার মঙ্গলবার স্ব স্ব উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মমতাজুল হাসান আবেদ বলেন,‘দলীয় প্রতীক না পাওয়ার কারণে চেয়ারম্যান পদে লড়তে পারেন নি আমাদের অনেক প্রার্থী। জামালগঞ্জের ফেনারবাঁকে সিরাজুল হক অলি ও বিশ্বম্ভরপুরের পলাশ ইউনিয়নে মাওলানা আবু হানিফ নোমান ও উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নে দলের শুভানুধ্যায়ী মাওলানা খায়রুল বাশার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়া ৪৬ জন ইউনিয়নে আমাদের ৩৫ জনের মতো প্রার্থী ইউপি সদস্য পদে লড়ছেন’।