ছাতকে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ২২ জন পুল শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজসে নিয়ম বহিভূুতভাবে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ২২ জন (পুল) শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অনিয়মের মাধ্যমে এসব শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগে গত ২৫ জানুয়ারী ছাতক উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান    
অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, বনগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চানপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ইতিমধ্যেই অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করে পাঠদান চালু করা হয়েছে। এ দু’টি বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটছে। বনগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ৩টি এবং চানপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪ জন শিক্ষকের মধ্যে ২টি পদই শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া নরসিংপুর-তালুপাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫টির মধ্যে ৩টি, পুরান সিংচাপইড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬টির মধ্যে ৪টি, জাহিদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬টির মধ্যে ৪টি, বসন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩টির মধ্যে ২টি, জালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪টির মধ্যে ৩টি ও কামরাঙ্গী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪টির মধ্যে ৩টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব বিদ্যালয় বিবেচনায় না এনে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎকোচ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে শুধু শহর কেন্দ্রিক বিদ্যালয় সমূহে ২২ জন পুল শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যা অনিয়ম ও অবিবেচক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র দাস বলেন,‘পুল শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কোন হাত নেই। উচ্চ আদালতে রিট করে এসব শিক্ষক তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করেছেন। তালিকাভিত্তিক পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শিক্ষকরাও নিয়োগ লাভ করবে।’