ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে মেয়েরা

* ৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই পাশ
* পাশের হার ৯৪.১৩ শতাংশ
* জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৫৯ জন
সজীব দে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সুনামগঞ্জ জেলায় পাশের হার ও জিপিএ ৫ ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দিক থেকেও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে। জেলায় ১২ হাজার ৬৫৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছেন ১১ হাজার ৯১৬ জন। এরমধ্যে ছেলে ৫ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাশ করেছেন ৫ হাজার ২৪৯ জন এবং মেয়ে ৬ হাজার ৯৯৫ জন অংশ নিয়ে পাশ করেছেন ৬ হাজার ৬৬৭ জন। ৯৪ দশমিক ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে।
এদিকে সুনামগঞ্জ জেলায় জিপিএ ৫ পেয়েছেন ২৫৯ জন। এর মধ্যে ৯৩ জন ছেলে এবং ১৬৬ জন মেয়ে। সবচেয়ে বেশি জিপিএ ৫ পেয়েছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ১১০টি, কম জিপিএ ৫ পেয়েছে তাহিরপুর উপজেলা ১টি।
এছাড়াও জেলার ৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই পাশ করেছে। এরমধ্যে ধর্মপাশা উপজেলার ২টি এবং জগন্নাথপুর, দিরাই, শান্তিগঞ্জ, তাহিরপুর, সদর উপজেলার ১টি করে প্রতিষ্ঠান।
সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে ৭২৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭০২ জন। পাশের হার ৯৭.১০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০৩ জন শিক্ষার্থী।
সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে ৬১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫৭৪ জন। পাশের হার ৯৩.৯৪ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭ জন।
সুনামগঞ্জ পৌর কলেজে ৪৩২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৯৫ জন। পাশের হার ৯১.৪৪ শতাংশ।
আলহাজ¦ মতিউর রহমান কলেজের শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। ৯৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই পাশ করেছে। পাশের হার ১০০ শতাংশ।
ইসলামগঞ্জ কলেজে ১৬৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৫৬ জন। পাশের হার ৯৩.৪১ শতাংশ।
মইনুল হক কলেজে ১৫৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৫২ জন। পাশের হার ৯৬.৮২ শতাংশ।
নর্থ ইস্ট আইডিয়াল কলেজে ২৬৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৩৩ জন। পাশের হার ৮৭.৫৯ শতাংশ।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার দিগেন্দ্র বর্মন কলেজে ৫৭৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫২২ জন। পাশের হার ৯০.৪৭ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ জন শিক্ষার্থী।
রতারগাঁও হাইস্কুল এন্ড কলেজে ৯৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৮৭ জন। পাশের হার ৯১.৫৮ শতাংশ।
ছাতক উপজেলার বাংলাবাজার সামারুন্নেছা হাই স্কুল এন্ড কলেজ ৪৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৩ জন। পাশের হার ৯১.৪৯ শতাংশ।
বুরাইয়া স্কুল এন্ড কলেজে ৫০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৯ জন। পাশের হার ৯৮.০০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ জন শিক্ষার্থী।
ছাতক কলেজে ৬০৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫৭৫ জন। পাশের হার ৯৪.৮৮ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৭ জন।
গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজে ৬৯৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৫৪ জন। পাশের হার ৯৩.৫৬ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০ জন ।
জনতা মহাবিদ্যালয়ে ৩৪৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৩৯ জন। পাশের হার ৯৭.৬৯ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২ জন।
জাউয়াবাজার কলেজে ৫০৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৭১ জন। পাশের হার ৯৩.২৭ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২ জন ।
ঝিগলি হাই স্কুল এন্ড কলেজে ১২১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১১২ জন। পাশের হার ৯২.৫৬ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ জন ।
সমতা স্কুল এন্ড কলেজে ১০৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১০১ জন। পাশের হার ৯৭.১২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ জন।
দিরাই উপজেলার আটগ্রাম কলেজে ৪৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৫ জন। পাশের হার ৯৭.৮৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ ফ্যামেলী একাডেমিতে শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। ৩৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই পাশ করেছে। পাশের হার ১০০.০০ শতাংশ।
বিবিয়ানা মডেল কলেজে ৩৬০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৫৪ জন। পাশের হার ৯৮.৩৩ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩১ জন।
দিরাই কলেজে ৭৪২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭১১ জন। পাশের হার ৯৫.৮২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭ জন।
জগদল কলেজে ৯৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৯২ জন। পাশের হার ৯৪.৮৫ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ জন।
রজনীগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজে ২৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২১ জন। পাশের হার ৭৫.০০ শতাংশ।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত মহিলা কলেজে ৮৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭৯ জন। পাশের হার ৯৪.০৫ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন।
ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ কলেজে ২৪৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৪২ জন। পাশের হার ৯৫.৫৮ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন।
বংশীকুন্ডা কলেজে ৫৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫৮ জন। পাশের হার ৯৮.৩১ শতাংশ।
ধর্মপাশা কলেজে ৩৫৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৪২ জন। পাশের হার ৯৫.৫৩ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ জন।
গোলকপুর হাজী এ. হাফিজ হাইস্কুল এন্ড কলেজে শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। ১৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই পাশ করেছে। পাশের হার ১০০ শতাংশ।
লায়েছ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। ৪৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই পাশ করেছে। পাশের হার ১০০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ জন।
মধ্যনগর বিশে^শ^রী পাবলিক হাইস্কুল এন্ড কলেজে ১৭৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৬৮ জন। পাশের হার ৯৪.৯২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন।
দোয়ারবাজার উপজেলার বড়খাল হাই স্কুল এন্ড কলেজে ২২২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২১৩ জন। পাশের হার ৯৫.৯৫ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ জন।
বোগলা রোসমত-আলী রামসুন্দর হাই স্কুল এন্ড কলেজে ১০২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১০০ জন। পাশের হার ৯৮.০৪ শতাংশ।
দোয়ারাবাজার কলেজে ২৫১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৪১ জন। পাশের হার ৯৬.০২ শতাংশ।
ঘিলাছড়া স্কুল এন্ড কলেজে ৪৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪২ জন। পাশের হার ৯৭.৬৭ শতাংশ।
লিয়াকতগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজে ১০৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৯৮ জন। পাশের হার ৮৯.৯১ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ জন।
প্রগতি হাই স্কুল এন্ড কলেজে ৫৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫২ জন। পাশের হার ৯৪.৫৫ শতাংশ।
সমুজ আলী হাই স্কুল এন্ড কলেজে ১৬৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৩১ জন। পাশের হার ৮০.৩৭ শতাংশ।
জগন্নাথপুর উপজেলার চন্দন মিয়া সৈয়দুননেছা কলেজের শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। ৯৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই পাশ করেছে। পাশের হার ১০০ শতাংশ।
জগন্নাথপুর কলেজে ৫৪১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫২৫ জন। পাশের হার ৯৭.০৪ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ জন।
নয়াবন্দর হাই স্কুল এন্ড কলেজে ৬৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৫ জন। পাশের হার ৯৫. ৫৯ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন।
রানীগঞ্জ কলেজে শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। ১৩৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই পাশ করেছে। পাশের হার ১০০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ জন।
শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ে ২৪৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৩১ জন। পাশের হার ৯৩. ৫২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন।
ষড়পল্লী হাই স্কুল এন্ড কলেজে ৩৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৬ জন। পাশের হার ৯২.৩১ শতাংশ।
শ্রীরামসী হাই স্কুল এন্ড কলেজে ৩৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩২ জন। পাশের হার ৯৬.৯৭ শতাংশ।
সৈয়দপুর আদর্শ কলেজে ৬৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬১ জন। পাশের হার ৮৮.৪১ শতাংশ।
পাড়ারগাঁও আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে ৪৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪২ জন। পাশের হার ৯৭.৬৭ শতাংশ।
জামালগঞ্জ উপজেলার জামালগঞ্জ কলেজে ৬৪৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬০৮ জন। পাশের হার ৯৩.৯৭ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ জন।
শাল্লা উপজেলার ভাটিপাড়া কলেজে ৬০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫৫ জন। পাশের হার ৯১.৬৭ শতাংশ।
সাউধেরশ্রী হাই স্কুল এন্ড কলেজে ৮৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৮৫ জন। পাশের হার ৯৬.৫৯ শতাংশ।
শাল্লা কলেজে ৪১৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৯৯ জন। পাশের হার ৯৬.৬১ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১১ জন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার আব্দুল মজিদ কলেজে ১৪৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১২১ জন। পাশের হার ৮১.৭৬ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন।
ডুংরিয়া হাই স্কুল এন্ড কলেজে ৯৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৯০ জন। পাশের হার ৯৪.৭৪ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন।
পাগলা হাই স্কুল এন্ড কলেজের শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। ১৩১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই পাশ করেছে। পাশের হার ১০০ শতাংশ।
সুরমা হাই স্কুল এন্ড কলেজে ৮৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭৮ জন। পাশের হার ৯২.৮৬ শতাংশ।
তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট কলেজে ৫৬০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫০২ জন। পাশের হার ৮৯.৬৪ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন ।
জয়নাল আবেদিন কলেজে ৮৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৬ জন। পাশের হার ৭৫ শতাংশ।
তাহিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। ৯৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই পাশ করেছে। পাশের হার ১০০ শতাংশ।
টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি স্কুল এন্ড কলেজে ১১৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১০১ জন। পাশের হার ৮৭.৮৩ শতাংশ।