জগন্নাথপুরের ব্রজনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনে বাধা নেই, মামলা খারিজ

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও ব্রজনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ কর্মসূচির কার্যক্রম স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে প্রদত্ত নিদের্শনা বাতিল করে বাদির মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার সুনামগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে শুনানি শেষে মামলা খারিজ করে দেয়া হয়। ফলে ২৫ জানুয়ারি শতবর্ষ উৎসব উদযাপনে আর কোন বাধা রইল না।
জানা গেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও ব্রজনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উৎসব উদযাপনের জন্য আগামী ২৫ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আ ফ ম জিয়াউল হোসেন বাদি হয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, শতবর্ষ উদযাপন পরিষদ ও জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি স্বত্ব মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন পাইলগাঁও ব্রজনাথ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯২৬ ইংরেজি সনে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের সামনে গেইটে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সন ১৯১৯ লেখা রয়েছে।
তিনি মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন প্রয়াত জমিদার ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে স্মৃতি ও প্রতিতী নামে প্রকাশিত বইয়ে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯২৬ ইং লেখা রয়েছে । এজন্য শতবর্ষ উৎসব উদযাপন স্থগিত রাখতে নিদর্শনা চেয়েছেন তিনি। আদালত শতবর্ষ উদযাপনের উপর সাময়িক স্থিতাবস্থা দেন। একই আদালতে উভয় পক্ষের শুনানীর পর মঙ্গলবার এ মামলা খারিজ করে দেয়া হয়।
পাইলগাঁও ব্রজনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের শত বর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, ব্রজনাথ উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এমন দালিলিক প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করলে দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত ওই ব্যক্তির দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেন। এখন ২৫ জানুয়ারি শতবর্ষ উৎসব উদযাপনে আর কোন বাধা রইল না।
উদযাপন কমিটির পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট শামসুদ্দিন আহমেদ।