জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
জগন্নাথপুর পৌর এলাকায় সংগঠিত নৈশ প্রহরী হিরন মিয়া হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। বুধবার রাত ৮টার দিকে হত্যাকারী স্বেচ্ছায় জগন্নাথপুর থানায় হাজির হয়ে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে পলাতক নৈশ প্রহরী ইছাক মিয়া নিজে হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেন। বৃহস্পতিবার পুলিশ তাকে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
ইছাক মিয়া পুলিশকে জানায়, পৌর এলাকার হাসিমাবাদ মৌজার জগন্নাথপুর গ্রামের যুক্তরাজ্যে প্রবাসি গয়াছ
মিয়ার মালিকানাধীন ফিসারিজে দায়িত্ব পালনকালে রাতে তার সঙ্গে থাকা নৈশপ্রহরী হিরন মিয়ার সাথে ফিসারিতে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এক পর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে বাঁশের টুকরা দিয়ে হিরনের মাথায় আঘাত করলে এতে সে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এরপরই ইছাক মিয়া পালিয়ে যান। পরে জানতে পারেন হিরন মিয়া মারা গেছে। ঘটনার পর থেকে তিনি নানা অনুশোচনায় ভোগছিলেন। তাই থানায় এসে হত্যার দায় স্বীকার করেন তিনি।
জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মুরসালিন জানান, নৈশপ্রহরী হিরন মিয়া খুনের ঘটনায় পলাতক থাকা ইছাক মিয়া থানায় এসে হত্যার সাথে নিজের সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীক্তারোক্তি দেয়। আমরা তাকে ১৬৪ ধারার জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য সুনামগঞ্জ পাঠিয়েছি।’
প্রসঙ্গত পৌরএলকার কেশবপুর গ্রামের মৃত হুসমত আলীর পুত্র হিরন মিয়া ওই ফিসারিতে নৈশ প্রহরীর কাজের নিয়োজিত ছিল। শুক্রবার রাতে হিরন খুন হন। পুলিশ শনিবার সকালে হিরনের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে।
- সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫ বছর পূর্তি আমাদের সহোদরা (১৩)
- ধর্মপাশায় ১০ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা


