১ জুন জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের বাজেট প্রত্যাখান করেছে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ)।
শুক্রবার বাজেটকে গণবিরোধী বলে বিবৃতি দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি রতœাংকুর দাস জহর ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম ছদরুল।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়- বিশ^ব্যাংক ও আইএমএফের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালালদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে জনস্বার্থকে উপেক্ষা করে বাজেট পেশ করা হয়েছে। প্রতিবছরই দেশের কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ জাতীয় ও জনস্বার্থের মত গুরত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উপেক্ষিত হয়। আমাদের দেশের বাজেট প্রণয়ন হয়ে থাকে লুটপাটের স্বার্থে। সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপি যে খাদ্যসঙ্কট ও কর্মহীনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে তা মোকাবেলায় প্রয়োজন ছিল বাজেটে কৃষক ও কৃষি খাতকে সর্বাধিক গুরত্ব দেওয়া, মূল্যস্ফীতি রোধ করা। কিন্তু বাজেটে তার জন্য কোন দিক নির্দেশনা নেই। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য কৃষি ভিত্তিক শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারেও কোন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নেই। কৃষি খাতে অবৈধ মজুতদারি, বিপণনে কৃত্রিম সঙ্কট মোকাবেলায় কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই। বাজেটের ভর্তুকি কমাতে মধ্যবিত্ত, নি¤œ-মধ্যবিত্ত দরিদ্র জনগণের উপর জবরদস্তি করে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ বিভিন্ন ধরনের কর আদায় করা হবে। শিক্ষা উপকরণ, গৃহস্থলির সামগ্রী, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী সহ জিনিসপত্রের দাম বাড়ানো হবে, যা ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়ে সামাজিক অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়- বর্তমানে যেখানে লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের কষাঘাতে জনজীবন বিপর্যস্ত। সেখানে সরকারের বাজেটের আকার বৃদ্ধি করে ভ্যাট- ট্যাক্স, কর বাড়ানো জণগণের উপর ‘মরার উপর খাড়ার ঘাঁ’ হয়ে দাঁড়াবে। অথচ সরকারের উচিত ছিল মানুষের দুঃখ কষ্ট লাঘবের জন্য প্রয়োজনীয় সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা মূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করা। সামগ্রিক বিচারে এ বাজেট হচ্ছে আইএমএফ ও বিশ^ব্যাংকের শর্ত পূরণের বাজেট।
প্রেসবিজ্ঞপ্তি
- জামালগঞ্জে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ
- ‘কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে লোডশেডিং বেড়েছে’


