স্টাফ রিপোর্টার
পৌরসভার জামাইপাড়াস্থ পৌর মিনি মার্কেট যেনো একটি শৌচাগার। মার্কেটের দোকানীসহ আশেপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ ২ তলা বিশিষ্ট এই ভবনে প্রাকৃতিক কাজ সারছেন। এতে দুর্গন্ধে দোকানীসহ আশেপাশের এলাকার পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। মার্কেটের পাশে শৌচাগার নির্মাণের দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
জানা যায়, পৌরসভা এই মিনি মার্কেটটি ৯৯ বছরের জন্য মালিকরা লিজ নিয়ে ভাড়া দিয়েছেন দোকানীদের। নিচ তলায় মনিহারি দোকানপাট থাকলেও উপরের তলায় রয়েছে বিভিন্ন প্রাইভেট ও মাইকের সাউন্ড সিস্টেমের অফিস। যার ফলে সাধারণ ক্রেতাদের উপরের তলায় যাতায়াত তেমন নেই ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌরসভার মিনি এই মার্কেটটির নিচ থেকে উপরে উঠতে চোখে ভাসে একটি লখা, ‘এখানে প্র¯্রাব করলে ৫০০ টাকা জরিমানা’। নিষেধ ও জরিমানার কথা উল্লেখ করে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও থেমে নেই মানুষের প্রাকৃতিক ডাকের সাড়া। এতে ২ তলার সিঁড়ি ও উপরের ছাদ জুড়ে শৌচাগার হয়ে আছে। উপরের বর্জ্য সিঁড়ির ফাক দিয়ে নিচে পড়ছে। সিঁড়ি দিয়ে দু’ তলার দোকানে যাওয়া সেবা গ্রহীতার উপরেও এসব বর্জ্য পড়ছে। মার্কেটের আশেপাশে কোনো শৌচাগার নাই। মার্কেটের দু’ তলার মা ট্রাভেল ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসের মালিক মাহবুব আলম টিপু বলেন, আমরা দোকানের মালিকদের অনেকবার বিষয়টা জানিয়েছি। তারাও এসে দেখেছেন কিন্তু কোনো উদ্যোগ নিতে আমরা দেখিনি। আমরা নিষেধ করেছি। কিন্তু যারা এখানে এসে প্রাকৃতিক কাজ সারেন তারা অনেক শক্তিশালী। তাই আমরা কিছু করতে পারি না।
সাউন্ড সিস্টেমের দোকানী মো. সেলিম হোসেন ভূইয়া বলেন, সিঁড়ির নিচে লোহার বেষ্টনী অথবা পাশে শৌচাগার তৈরি করলে মার্কেটের পরিবেশ নষ্ট করার কাজ মানুষের বন্ধ হতো। দোকানের মালিককে বলেছি তারা সেটি করছেন না। দুর্গন্ধের জন্য দোকানে বসা যায় না।
মার্কেটের দোকানকোঠার মালিক জুলু মিয়া বলেন, এই মার্কেট পৌরসভা নির্মাণ করেছে। আমরা ৯৯ বছরের জন্য দোকানকোঠা লিজ নিয়েছি। শৌচাগার তৈরি করার প্রয়োজন হলে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ করবে।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা ৯৯ বছরের জন্য দোকানকোঠা বিক্রি করে দিয়েছি। নিচে শৌচাগার রয়েছে। আসলে মানুষের সচেতনতার প্রয়োজন। কাল বিষয়টি সরজমিনে লোক পাঠিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।


