আকবর হোসেন, জামালগঞ্জ
‘কোন মেস্তরি নাও বানাইলো কেমন দেখা যায়, ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নায়’ বাউল স¤্রাট শাহ আবদুল করিমের গানের সুরে সুরে মঙ্গলবার বিকালে জামালগঞ্জ উপজেলার সুরমা নদীতে এমনই ঝিলমিল করছিল একাধিক নৌকা। নৌকায় মাঝিদের কণ্ঠে ছড়িয়ে পড়েছিল গ্রাম বাংলার চিরন্তন আঞ্চলিক সারি গান। ঢাক-ঢোল আর করতালের তালে তালে সুরের মূর্ছনায় হারিয়ে গিয়েছিল হাজারো উৎসুখ দর্শকও। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুরমা নদী এলাকায় বিরাজ করছিল আনন্দঘন দৃশ্য। পুরষের পাশাপাশি নারী দর্শকদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মত।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জামালগঞ্জ সুরমা নদীতে মঙ্গলবার ১ম আন্ত:ইউনিয়ন নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার ভূমি মনিরুল হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার বরকত উল্লাহ খান।
নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজা আক্তার দিপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক এম. নবী হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. সাফায়েত আহমেদ
সিদ্দিকী, উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার, অফিসার ইনচার্জ আবুল হাশেম, সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. শহিদুল্লাহ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদ, ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম, করুনা সিন্ধু তালুকদার, মো.রজব আলী, মো. দুলাল মিয়া, সাজ্জাদ মাহমুদ তালুকদার সাজিব, অসিম কুমার তালুকদার প্রমৃখ।
নৌকা বাইচ প্রতিযোুগতায় বিজয়ী সাচনাবাজার ইউনিয়ন ও রার্নাস আপ ফেনারবাঁক ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের হাতে বিজয়ী ও রার্নাসআপ দলকে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম।


