জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

জামালগঞ্জ অফিস
জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা পালের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ বরাবরে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রবিবার দ্বীজেন্দ্র লাল দাশসহ ছয়জনের স্বাক্ষরে অভিযোগটি দায়ের করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি সুনামগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি দ্বীজেন্দ্র লাল দাশের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন ইউএনও প্রিয়াংকা পালের বিরুদ্ধে কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে গণমাধ্যমকর্মী ও হাওর আন্দোলনের কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ৩০ জানুয়ারি ইউএনও প্রিয়াংকা পাল স্বাধীনতা বিরোধী আব্দুল কাদিরের ছেলে আবুল আজাদসহ দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিদের দিয়ে দ্বীজেন্দ্র লাল দাশ ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু তাহের তালুকদারকে মারধরে মদদ দেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ইউএনও প্রিয়াংকা পাল ভীমখালী ইউনিয়নের উজ্জ্বলপুরে অপ্রয়োজনীয় রাস্তায় বাঁধের নামে টাকা বরাদ্দ করে সিন্ডিকেট তৈরি করে টাকা লুটপাটের জন্য প্রকল্প তৈরি করেন। উপজেলার সবক’টি বাঁধের কমিটি ঘোষণা করা হলেও ৩৫নং পিআইসি ঘোষণা করা হয়নি। প্রায় বিশদিন পর গোপনে সর্বোচ্চ ঘুষদাতাকে পিআইসি ঘোষণা করেন। অথচ সেখানকার প্রকৃত কৃষক ও জনপ্রতিনিধিগণ আবেদন করলেও কাউকে পিআইসিতে রাখা হয়নি।
এছাড়া বেহেলী ইউনিয়নের একই পরিবারের ৩ ভাইয়ের নামে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত বছর যারা ভালো কাজ করেছেন তাদেরকে কমিটিতে রাখা হয়নি।
অন্যদিকে ২০১৯-২০ইং বছরে বোরো এবং আমন ধান সংগ্রহের সময়ে একই সিন্ডিকেটের সাথে মিলিত হয়ে অকৃষক, মৃত ব্যক্তি ও একই নাম একাধিকবার ব্যবহার করে ধান কেনার তালিকায় যুক্ত করা, লালবাজারে অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদেরকে লিজের নামে অগ্রিম টাকা নিয়ে মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ সবকিছু দুর্নীতিরই প্রমাণ।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ বলেন, অভিযোগটি আমি পেয়েছি। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ এমরান আহমদ কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।