স্টাফ রিপোর্টার
সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কুমিল্লাপাড়ায় কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ব্যয়ে মাটি ভরাটের কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে নারায়নতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণেও মাটি ভরাটের পরিবর্তে বালু ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এই দুই স্থানের কাজ সম্প্রতি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবুল খায়ের বাস্তবায়ন করেন।
ওয়ার্ডের কুমিল্লাপাড়া এলাকায় নারায়নতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের সড়ক থেকে শুরু করে জাবেদ আলীর বাড়ি পর্যন্ত সড়কে নামেমাত্র মাটি ফেলা হয়েছে। পুরাতন সড়কের কোনো কোনো স্থানে মাটির বদলে অল্প পরিমাণে বালু ফেলা হয়েছে। সেই সাথে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণেও অল্প পরিমাণে বালু ফেলা হয়েছে। কাজ সম্পাদনকালে সড়কের পাশে কোনো সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাখা হয়নি। একাধিক স্থানে সড়কের গোড়া থেকে বালু মাটি তোলা হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, পুরাতন সড়কের উপর এই বালু ও অল্প পরিমাণে মাটি ফেলে প্রকল্পের সমুদয় টাকা আত্মসাত করেছেন ইউপি সদস্য আবুল খায়ের। একইভাবে নারায়নতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মাটি ভরাটের নামে সামান্য বালু ফেলা হয়েছে। স্থানীয়রা ইউপি সদস্য আবুল খায়েরের বাস্তবায়িত কাজের সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক তাঁর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।
জাহাঙ্গীরনগর ইউপি’র ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আবুল খায়ের বলেন,‘আমি কুমিল্লাপাড়ায় কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ব্যয়ে সড়কে মাটি ভরাটের কাজ করেছি। মাটি না পাওয়ায় বালু ফেলেছি। একই বরাদ্দ থেকে বিদ্যালয়ের আঙিনায় বালু ফেলেছি। কাজ করানো বাবদ এখনও কোনো টাকা দেয়নি অফিস। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা।’
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মানিক মিয়া বলেন,‘জাহাঙ্গীরনগর ইউপি’র ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আবুল খায়েরকে দেয়া কর্মসৃজন প্রকল্পের আওতায় সড়কে মাটি ভরাটের কাজ আমরা তদন্ত করে দেখব। কাজ সঠিকভাবে না হলে বিল দেয়া হবে না।’


