বিজয় রায়, ছাতক
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সুনাম-সাধারণ-১৪ নং ওয়ার্ডে সদস্য হিসেবে ৪ প্রার্থী নির্ঘুম প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্ধাতির ভোটারদের কাছে ব্যক্তিগত, দলীয় ও ব্যবসায়ী পরিচয়ে চলছে ভোট প্রার্থনা। স্বশরীরে ভোটারদের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে কুশল মিনিময়ে, মোবাইল ফোনে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভোট প্রার্থনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। সীমিতসংখ্যক ভোটার হওয়ায় সদস্য প্রার্থীদের কোন বৈঠক বা সভা-সমাবেশ, পোষ্টার লিফলেট, ব্যানার-বিলবোর্ড দিয়ে সাধারণ নির্বাচনের মতো প্রচার-প্রচারনায় চালাতে দেখা যাচ্ছে না। তবে মোবাইল ফোনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে চলছে প্রচারণার ঝড়। প্রার্থীর ছবি দিয়ে রং-বেরংয়ের পোস্টার তৈরী করে প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা ফেইসবুকে চালাচ্ছেন নিয়মিত প্রচারণা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষ ততই আগ্রহী উঠছেন।
উপজেলার ছাতক পৌরসভা, ছাতক সদর, ইসলামপুর, নোয়ারাই, কালারুকা ও উত্তর খুরমা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সুনাম-সাধারণ-১৪ নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে ৪ জন প্রার্থী নেমেছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
প্রার্থীদের মধ্যে সরকার দলীয় আ.লীগ সমর্থীত ২ জন ও বিএনপি’র ২ জন। এখানের আ.লীগ ও সহযোগী সংগঠন দুটি বলয়ে বিভক্ত হওয়ায় উভয় বলয় থেকে একজন করে সদস্য প্রার্থী দেয়া হয়েছে। পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী ও কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য শামীম আহমদ চৌধুরী নেতৃত্বাধীন বলয় থেকে সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম-আহবায়ক আজমল হোসেন সজল। এ বলয় থেকে অনেকেই সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা করলেও অবশেষে দলীয় ফোরামে আজমল হোসেন সজলকেই একক সদস্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়। আজমল হোসেন সজল উপজেলা ইসলামপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা। নির্বাচনী হলফনামায় তিনি ব্যবসা থেকে এক লক্ষ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন। প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন আজমল হোসেন সজল। একইভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলয় থেকে অনেকেই প্রার্থীতার ইচ্ছে প্রকাশ করলেও অবশেষে উপজেলা আ.লীগের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. আশিক আলীকে মনোনীত করা হয়। অ্যাড. আশিক আলী জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে দীর্ঘদিন ধরে প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। অবশেষে দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে তাকে সদস্য পদে প্রার্থী হতে হয়েছে। অ্যাড. আশিক আলী নোয়ারাই ইউনিয়নের মৌলা গ্রামের বাসিন্দা। নির্বাচনী হলফনামায় তিনিও ব্যবসা থেকে এক লক্ষ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন। এদিকে কেন্দ্রিয় কৃষকদলের সাবেক সাহিত্য সম্পাদক ও ছাতক পৌর বিএনপির সভাপতি ডা. আফসার উদ্দিন সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি দলীয় ফোরাম ছাড়াও প্রতিদিন নির্ঘুম প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি পৌর শহরের বাগবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। নির্বাচনী হলফনামায় তিনি ব্যবসা থেকে আশি হাজার টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন। স্থানীয়ভাবে বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত এনামুল হক এনাম সদস্য প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি কালারুকা ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা। ব্যবসা থেকে বছরে তিনি আশি হাজার টাকা আয় করে থাকেন বলে নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
- প্রার্থীদের শিক্ষা- মহিলা সদস্য প্রার্থীদের অধিকাংশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক
- বৌলাই নদীর নৌজট হ্রাস করতে আগামী সপ্তাহেই খনন শুরু


