Deprecated: Required parameter $month follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $day follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146

Deprecated: Required parameter $year follows optional parameter $hour in /home/sites/30a/d/d0e954554d/archive/wp-content/plugins/bangla-date-display/uCal.php on line 146
জেলা প্রশাসকের নির্দেশ উপেক্ষিত / ভাঙন রোধে নেয়া হয়নি ব্যবস্থা – সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক

জেলা প্রশাসকের নির্দেশ উপেক্ষিত / ভাঙন রোধে নেয়া হয়নি ব্যবস্থা

আশিক মিয়া, দোয়ারাবাজার
গত কয়েকদিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাত এবং পাহাড় থেকে নেমে আসা উজানের ঢলে সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দোয়ারাবাজারে সুরমার ভাঙন এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় শেষ রক্ষা হচ্ছে না উপজেলার জালালপুর গ্রামের প্রাচীন মসজিদ, অসংখ্য বসত বাড়িসহ খোদ বীর মুক্তিযোদ্ধা উস্তার আলীর বসতভিটে। সুরমানদীর ভাঙন ভয়াবহতায় মান্নারগাঁও ইউনিয়নের ‘জালালপুর গ্রাম নদী গর্ভে বিলীনের পথে’ শিরোনামে সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নজরে আসে জেলা প্রশাসনের। জেলা প্রশাসক জালালপুর গ্রামের জামে মসজিদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধা উস্তার আলীর বসতভিটা রক্ষায় তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তাদের। সংশ্লিষ্টরা মসজিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা উস্তার আলীর বসতভিটা রক্ষায় বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগ নিয়ে একজন ঠিকাদার নিয়োগ করেন। নিযুক্ত ঠিকাদার ভাঙন কবলিত স্থানে বালুভর্তি বস্তা যত্রতত্র ফেলে রাখেন।
শুক্রবার সরজমিনে জালালপুর গ্রামে গেলে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা উস্তার আলীর বসতবাড়ি, জামে মসজিদ, অটো রাইস মিল চলে যাচ্ছে নদী গর্ভে। ঝুলন্ত ঘর থেকে বেরিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা উস্তার হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আমার বাড়ির ছবি এবং একটি দরখাস্ত নিয়া গেলে তিনি তাৎক্ষণিক নির্দেশনার পর পাউবো কর্তৃপক্ষ ও নিযুক্ত ঠিকাদারের খামখেয়ালিপনায় এখন আর শেষ রক্ষা হচ্ছে না আমার বাড়িঘর। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ে বার বার গেলেও কোন কর্ণপাত করেনি তারা। অন্তত ২০ দিন পূর্বে বস্তা ভর্তি বালু ফেলা হলে আমার বসত ভিটের ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হতো।
একইভাবে তীব্র ভাঙনের কবলে রয়েছে জালালপুর গ্রামের অটো রাইস মিলটিও। অটো রাইস মিল মালিক রাজা মিয়া রাসু বলেন, সুরমার ভাঙন থেকে আর রক্ষা হলো না আমাদের। নদীর তীরে বস্তাবন্দি বালি পানির ¯্রােতে ভেসে যাচ্ছে, কিন্তু এই বস্তা ফেলা হয়নি ভাঙন রোধে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বে বালুর বস্তা ফেলা হলে ভাঙন রোধ কিছুটা সম্ভব হতো।
জালালপুর গ্রামবাসী বলছেন, ঠিকাদারের খামখেয়ালিপনা আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তার গাফিলতিতে ভাঙন ঠেকানো গেলো না। শুরুতেই বালির বস্তা ফেলা হলে ভাঙন রোধ সম্ভব হতো। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিযুক্ত ঠিকাদার ফারুক মিয়া বলেন, কাজের নির্দেশনা পাওয়ার পরই শ্রমিকরা ভাঙন কবলিত এলাকায় বালির বস্তা ফেলা অব্যাহত রেখেছে। আজকেও ভত বালু ভর্তি বস্তা আনা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে পাউবো সুনামগঞ্জের এসডিও সমশের আলী মন্টু বলেন, জালালপুর গ্রামের ভাঙন রোধে দ্রুত বালুর বস্তা ফেলতে ঠিকাদারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।