‘জয়া সেনের সহায়তায় দিরাই- শাল্লায় উন্নয়ন করতে চাই’

স্টাফ রিপোর্টার
দিরাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শনিবার দুপুরে বিশেষ উন্নয়ন সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান বললেন,‘ড. জয়া সেন গুপ্তা উচ্চ শিক্ষিত বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ, তাঁর সহায়তায় দিরাই-শাল্লায় ভালো ভালো কাজ করতে চাই। দিরাইয়ের প্রত্যন্ত এলাকায় জনগণের কল্যানের জন্য যে হাসপাতাল উদ্বোধন করতে এসেছি, সেটিও তাঁকে জানানোর জন্য আমি ফোন দিয়েছি, তিনি অসুস্থ্য থাকায় হয়তোবা আমার ফোন রিসিভ করতে পারেন নি। তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীর সঙ্গেও আমার ব্যক্তিগত সহকারী ফোন দিয়েছিলো। তাঁকে (জয়া সেনকে) এই বিষয়টি জানানোর জন্য বলেছিলাম, তিনি অসুস্থ্য থাকায় হয়তোবা এই বিষয়ে সহায়তা করতে পারেন নি। ভবিষ্যতে জয়া সেন গুপ্তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বড় বড় উন্নয়ন কাজ করবো।
মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের কথাও শ্রদ্মার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি উপস্থিত দলীয় দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাংগঠনিক বিষয়ে ক্ষোভ আছে। সবাই বসে কথা বলে সমাধান করবো আমরা।

সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের জমি নির্ধারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^ বিদ্যালয় জেলা শহরের ১০-১৫ কিলোমিটারের মধ্যেই হতে হবে। আমি শান্তিগঞ্জের পাশে একটি উঁচু জমি প্রস্তাব করেছিলাম। এখানে আমার ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ জড়িত ছিল না। আমার ভাষায়-কথায় হয়তো আমার সহকর্মীরা ভূল বার্তা খুঁজে পেয়েছেন। এজন্য তাঁরা আপত্তি জানিয়েছেন। জমি নির্ধারণের বিষয়টি এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে দেখছেন। তিনি যেখানে জমি নির্ধারণ করবেন, আমরা সকলেই সেই সিদ্ধান্ত মানবো।

বিশেষ এই উন্নয়ন সভায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, দিরাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম চৌধুরী, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল, দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান মাসুম, দিরাই পৌরসভার সাবেক পৌর মেয়র মোশারফ মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রঞ্জন রায়, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আতাউর রহমান, উপজেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘দিরাইয়ে খুনের মামলার পলাতক আসামী প্রদীপ রায়ের নির্দেশ ছাড়া হাওররক্ষা বাঁধের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিও গঠন হয় না শুনেছি আমরা। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অন্যায় কাজে প্রশ্রয় না দেবার জন্য বলেন।