ঝরঝরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক খোলা থাকে সপ্তাহে একদিন

আকরাম উদ্দিন
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ঝরঝরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক সপ্তাহে খোলা থাকে একদিন। এই একদিনও মাত্র ২ ঘণ্টা কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার উপস্থিত থেকে কয়েক জনকে ওষুধপত্র দিয়ে চলে যান। এমন অভিযোগের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা।
ঝরঝরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা কমিটির একাধিক সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই ক্লিনিকে প্রতি সপ্তাহের সোমবারে শহর থেকে আসেন একজন কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার। তিনি এসে মাত্র ২ ঘণ্টা ক্লিনিকে অবস্থান করেন। কোনো রোগি আসলে ওষুধ দেন। এলাকায় প্রচার দেয়া হয়েছে করোনা পরিস্থিতির কারণে কমিউনিটি ক্লিনিক সপ্তাহে একদিন খোলা রাখছেন কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার।
কমিউনিটি ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য দাবি করে খুরশেদা বেগম বলেন, আমাদেরকে কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার বলেছেন, করোনার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক সপ্তাহে এক বা দুইদিন কিছু সময় খোলা রাখা হবে। অফিসের কাজের জন্য তিনি প্রায় প্রতিদিনই অনুপস্থিত থাকেন।
মাটিকাটা শ্রমিক মরিয়ম বেগম, আলিফজান, রাশিদা বেগম, আখলিমা বেগম, নুরভানু বলেন, আমরা সকাল থেকে মাটি কাটার কাজ করি, দুপুরে যাবার সময় সব সময় বন্ধ পাই। পরে ফার্মেসী থেকে কিনে ওষুধ নিই।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, সরকারী বন্ধ ছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ থাকার কথা নয়। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার উপস্থিত থাকার নিয়ম রয়েছে।
কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার রাজিব দাস বলেন, আমার কমিউনিটি ক্লিনিক খোলা থাকে সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া প্রতিদিন। তবে করোনা টিকা দিতে কোনো কোনো দিন বন্ধ থাকে। শহরে অফিসের কাজ থাকলেও বন্ধ থাকে কমিউনিটি ক্লিনিক।
ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মারুফা আক্তার বলেন, করোনার টিকা দিতে হয়তো কোনো সপ্তাহে ১ বা ২ দিন অনুপস্থিত থাকতে পারে। তবুও আমি বিষয়টি খবর নিয়ে দেখবো।