ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের ডিষ্ট্রিবিউশন সিষ্টেম লেজে-গোবরে অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সরবরাহে বিঘœ ঘটায় পল্লী বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণাধীন উপজেলার প্রায় সবকটি গ্রাম গত দু’দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। ফলে উপজেলার কয়েক হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক পোহাচ্ছেন চরম দুর্ভোগ। স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় সৃষ্টি হচ্ছে ব্যাঘাত। বিদ্যুৎ না থাকায় সুবিধাভোগীগণের ব্যবসা-বাণিজ্যেও পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব। এতে ক্ষতিগস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কালবৈশাখী ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হলে গত বুধবার রাত থেকে এখানের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে। ঘটনার দু’দিন অতিবাহিত হলেও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। এতে সুবিধাভোগী কয়েক হাজার গ্রাহকদের মধ্যে বিরাজ করছে অসন্তোষ ও ক্ষোভ। উপজেলা শিবনগর, রাধানগর, গোবিন্দনগর, গোবিন্দগঞ্জ, লাকেশ্বর, দশঘর, রুক্কা, গদারমহল, লক্ষ্মীপাশা, খালপাড়, আমেরতল, তিররাই মানসিনগর, কান্দিগাঁওসহ অর্ধশতাধিক গ্রাম রয়েছে অন্ধকারে। এ ছাড়া বিশ্বনাথের গোলচন্দ, দিঘলীসহ আরো বেশ কয়েকটি গ্রামে বিদ্যুৎ নেই বলে জানা গেছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলার কারনেই মূলত গ্রাহকরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বারবার অবহিত করার পরও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল বলেন, সকলের জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। খুব শীঘ্রই দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়িত করার কাজ শেষ হবে। কিন্তু বিতরণ ব্যবস্থায় অবহেলা ও গ্রাহকসেবায় ত্রুটি থাকলে সরকারে সফলতা অনেকাংশে ম্লান হবে। গ্রাহক বাড়লেও সে অনুপাতে সেবার মান বাড়েনি। গ্রাক সেবার মান আরো বৃদ্ধি করার জন্য তিনি পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষেও প্রতি আহবান জানান।
গোবিন্দগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম জাহেদুল ইসলাম বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। কয়েকটি স্থানে মেইনলাইন ছিঁড়ে যাওয়ায় সংস্কারের কাজ চলছে। বৈরী আবহাওয়ার জন্য দ্রুত কাজ করাও সম্ভব হচ্ছে না। লাইন পরোপুরি মেরামত করে সরবরাহ দিতে আরো দু’দিন সময় লাগবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
- প্রধানমন্ত্রীকে হাওরের বাস্তব অবস্থা বলুন -শামীমা শাহরিয়ার
- ভ্রমণ কাহিনী মালদ্বীপ, শ্রীলংকা সাত দিনের সাতকাহন-১১


