স্টাফ রিপোর্টার
কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শামীমা শহরিয়ার বলেছেন,‘ জেলার প্রায় ৪০ ভাগ ফসল তলিয়ে গেছে। এখনো প্রায় ৬০ ভাগ ফসল রক্ষা করা যাবে যদি আর বৃষ্টি না হয়। তবে জরুরী ব্যবস্থা নিতেই হবে। কিন্তু পাউবো এবং স্থানীয় প্রশাসন বলছেন এতটা ক্ষতি হয়নি। হাওরের সার্বিক অবস্থার বিষয়ে সরকারের উচ্চ মহলে জানিয়েছি।’ শনিবার দুপুরে বিভিন্ন হাওরের বাঁধ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
জামালগঞ্জের পাকনা হাওর, হালির হাওরের লক্ষীপুরের বাঁধ, কেচকির খাল, লেংটার খাড়া,কালিবাড়ি বাঁধ, সুনামড়ল হাওর, কালিয়ানি, লুইংগার হাওড়, ইয়ারন হাওড়, বাইঞ্চাপড়া হাওড়, মধ্যনগরের গোরমা হাওর পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, হাওরবাসীর একটাই দাবি, যতটুকু ফসল এখনো আছে তাই রক্ষা করার ব্যবস্থা নিন। জনগণের দাবির সাথে সংসদ সদস্যগণ একসাথে বসুন। প্রধানমন্ত্রীকে হাওরের বাস্তব অবস্থাটা বলুন। প্রশাসনকে জরুরী ব্যবস্থা নিতে কাজে লাগান।’
বাঁধ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ সদস্য সেলিনা আবেদীন, আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জু চক্রবর্তী, তফাজ্জুল হোসেন শানু, নুরুল হোসেন, রফিক মিয়া, ইলিয়াস, নিপেন্দু রায়, আব্দুস শহীদ আজাদ, মীনা দে, আব্দুর রব, কৃষক লীগ নেতা রুহুল আমীন খান, এনামুল হক, জীবন মিয়া, আজিমুল হক আজিম, গোপেশ তালুকদার, কমিউনিস্ট পার্টির নেতা গোপেশ চন্দ্র সরকার, যুবলীগ নেতা সজলু, রিংকু সরকার, মিয়া হোসেন, অমৃত জ্যোতি, প্রাণগোপাল, আরিফ খান, রাজকুমার ও ছাত্রনেতা প্রবাল সিন্ধু প্রমুখ।
- গরু আনতে গিয়ে তাহিরপুর সীমান্তে বাংলাদেশী আটক
- ঝড়ে পল্লী বিদ্যুৎ লন্ডভন্ড ছাতকে অর্ধশতাধিক গ্রাম ২ দিন ধরে অন্ধকারে


