ধর্মপাশা প্রতিনিধি
অধিকাংশ মানুষের মুখে নেই কোনো মাস্ক। নেই কোনো স¦াস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব রক্ষার বালাই । যে যার মত করে একজনের গা ঘেঁষে আরেকজন দাঁড়িয়ে আছে। এমন উপচেপড়া ভীড় দেখে বুঝার উপায় নেই যে এটি করোনা ভাইরাসের টিকাদান কেন্দ্র। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্থাপিত টিকা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা এ রকম দৃশ্য দেখা যায়
জানা যায়,৭ আগস্টের পর সপ্তাহখানেক প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। গত সোমবার রাতে সুনামগঞ্জ থেকে সিনোফার্ম- ভেরোসল (কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন) ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা এসে পৌঁছায়। ওইদিন রাতেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফেসবুক আইডি থেকে ঘোষণা দেওয়া হয় মঙ্গলবার থেকে প্রথম ডোজের টিকা কার্যক্রম আবার শুরু হবে। এই ঘোষণা পেয়েই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের টিকা প্রত্যাশীরা সকাল থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত টিকা কেন্দ্রে ভীড় করতে থাকে। কে কার আগে টিকা নিবে এ নিয়ে চলছে ধাক্কাধাক্কি ও প্রতিযোগিতা। এ সময় মানা হয়নি কোনো সামাজিক দুরত্ব ও স¦াস্থ্যবিধি। স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করার জন্য এ সময় পাওয়া যায়নি কোনো কর্তৃপক্ষকে।
টিকা নিতে আসা ধর্মপাশা প্রেসক্লাবের সভাপতি তরিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘টিকা নেওয়ার জন্য মানুষ যে হারে ভীড় করছে এতে মানুষ আরো সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। টিকা কেন্দ্রে সামাজিক দুরত্ব ও স¦াস্থ্যবিধি নিশ্চত করা প্রয়োজন।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. এমরান হোসেন বলেন, ‘অনেক মানুষ একসাথে টিকা নিতে এসেছে। যেকারণে ভীড় বেশি হয়েছে। গণটিকা কার্যক্রমে এ রকম হয়েছিল। আমরা চেষ্টা করছি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার জন্য।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনতাসির হাসান বলেন, ‘টিকা কেন্দ্রে আগামীকাল (বুধবার) থেকে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ ও আনসার মোতায়েন থাকবে।’


