তাহিরপুরে সিম নিবন্ধনে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

এমএ রাজ্জাক, তাহিরপুর
তাহিরপুরে বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপের মাধ্যমে সিম পুনঃনিবন্ধন কার্যক্রমে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোনো রকম রাখঢাক ছাড়াই প্রকাশ্যে নেয়া হচ্ছে গ্রাহকদের কাছ থেকে নগদ টাকা। গ্রাহকদের কাছ থেকে ১০ টাকা থেকে শুরু  করে ৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন এজেন্টরা। জেলা শহর থেকে উপজেলার বাজারগুলো গ্রামে হওয়ায় সহজ সরল গ্রাহকদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে এসব টাকা। গত কয়েক দিন কয়েকটি গ্রাহক সেবা কেন্দ্র ও এজেন্ট নিবন্ধন কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের এই পদক্ষেপকে উপেক্ষা করে এ উপজেলায় চলছে সিম রেজিস্ট্রেশনের নামে অর্থ আদায়। উপজেলার বাদাঘাট বাজার, তাহিরপুর সদর, বালিয়াঘাট নতুন বাজার, বড়ছড়া জয় বাংলা বাজার, কলাগাঁও, বাগলী বাজারসহ বিভিন্ন ছোট বড় বাজরে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের রিটেইলার গ্রাহকদের কাছে থেকে ১০ থেকে ৫০ টাকা করে আদায় করতে দেখা গেছে। টাকা না দিলে গ্রাহকদের সিম নিবন্ধন সহজে করা হচ্ছে না, বরং আজ না কাল বলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে র।
সিমকার্ড রেজিস্ট্র্রেশন করতে আসা উপজেলার তেলীগাও গ্রামের সঞ্জয় পাল জানান, বালিয়াঘাট নতুন বাজারের মোবাইল এজেন্ট টেলিকমে ২টি সিমকার্ড রি-রেজিস্ট্র্রেশনের জন্য দুইদিন ঘুরে ৪০ টাকা দিয়ের্  রেজিস্ট্রেশন করেছি।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক গ্রাহক জানান, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক,   রবির রিটেইলাররা উপজেলার বিভিন্ন বাজারে প্রথম থেকেই প্রতিটি সিমকার্ড রেজিস্ট্রেশনের জন্য টাকা নিচ্ছেন, টাকা না দিলে সিম নিবন্ধন করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে না।
বাদাঘাট বাজারের এক মুক্তিযোদ্ধা বলেন,‘সিমকার্ড রি-রেজিস্ট্র্রেশন করার জন্য কয়েকদিন  ঘুরার পর রিটেইলররা বলছেন, তাদের কাছে ফরম নেই। কিন্তু ১০ টাকা দিলে তাদের কাছে ফরম পাওয়া যায় এবং সিমও নিবন্ধন করা যায়।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন বললেন,‘এ বিষয়ে উপর থেকে কোন চিঠি আসে নাই, আমার জানা মতে সিমকার্ড রি-রেজিস্ট্র্রেশনে টাকা নেয়ার কোন সুযোগ নাই। খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’