স্টাফ রিপোর্টার
নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার পৃথক পৃথক রায়ে বুধবার তিনজন আসামীকে দ- দেওয়া হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বিজ্ঞ দায়রা জজ মো জাকির হোসেন এই দ- প্রদান করেন। দ-প্রাপ্ত দক্ষিণ সুনামগঞ্জের দরগাপাশার সুকম উল্লার ছেলে মো. সুরুজ আলী। তাকে ১৪ বছর কারাদ-, ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন দরগাপাশা গ্রামের এজাহারকারীকে গত ১১.০৬.২০০৭ ইং তারিখে রাত ৮ টায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোঃ সুরুজ আলী জোরপূর্বক অপহরণ করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাদী সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশীট দাখিল করে। তৎপরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষ মোট ৮ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করেন। সাক্ষ্য প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে আদালত উল্লিখিত আসামীকে বুধবার সাজা প্রদান করেন। অপর দুই আসামীকে চার্জ গঠনের সময় পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণাদি না থাকায় অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এদিকে, নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলায় বুধবার দোয়ারাবাজার উপজেলার টেংরাটিলা গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে মো. সিরাজুল ইসলামকে ৫ বছর সশ্রম কারাদ-, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৫ মাসের কারাদ- প্রদান করা হয়েছে।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা বাজার থানাধীন টেংরাটিলা গ্রামের এজাহারকারী গত ১২/০৮/২০০৬ইং তারিখ তার বসত বাড়ির দক্ষিণ পশ্চিমে ওয়াবদার বেড়ি বাঁধের পাশে লাকড়ি টুকাতে যায়। অনুমান দুপুর ১২ টায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী সিরাজুল ইসলাম সেখানে গিয়ে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে এজাহারকারী সাজাপ্রাপ্ত আসামীর বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশীট দাখিল করে। তৎপরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষ মোট ৫ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করে। সাক্ষ্য প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে আদালত বুধবার আসামীকে সাজা প্রদান করেন।
অন্যদিকে, শিশু আদালতের রায়ে মধ্যনগরের লক্ষীপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে মো. সোহেল মিয়াকে ৫ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়েছে।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ বিগত ১১.০৯.২০১৬ইং তারিখ দুপুর অনুমান ৩ টায় সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর থানাধীন লক্ষীপুর গ্রামের নালিশকারীর নাবালিকা মেয়েকে তার বসত গৃহে একই স্কুলের অধ্যায়নরত অভিযুক্ত সোহেল ওরপে মোঃ সোহেল মিয়া বিবাহের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে একইভাবে বিভিন্ন সময়ে অভিযুক্ত সোহেল মিয়ার ধর্ষণের ফলে ভিকটিম গর্ভবতী হয় ও একটি ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করে। তৎপরে ভিকটিমের মা সাজাপ্রাপ্ত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ইনকোয়ারী রিপোর্ট দাখিল করে। তৎপরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষ মোট ০৫ জন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করে। সাক্ষ্য প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে আদালত অদ্য উল্লিখিত অভিযুক্তকে সাজা প্রদান করেন।
- জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ উপ নির্বাচনে ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
- নলকূপ ও স্যানেটারী ল্যাট্রিন পাচ্ছেন হতদরিদ্ররা


