আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার সুরমা ও জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের অংশে অবস্থিত বাঘমারা-মঙ্গলকাটা সড়ক। দুই ইউনিয়নের অংশ মিলে মাটি ভরাট করে এই বাইপাস সড়ক নির্মাণ হয়েছে। সহজ যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে এই সড়ক দিয়ে ১০ গ্রামের মানুষ চলাচল করে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের সংস্কার না হওয়ায় বিভিন্ন অংশের মাটি সরে গেছে, ছোট ও বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তাই সড়ক পাকাকরণের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এই বাইপাস সড়কটি হালুয়ারঘাট-মঙ্গলকাটা সড়কের পাশে মঙ্গলকাটা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আকবর আলীর বাড়ির পাশে দিয়ে পূর্ব অংশের শুরু হয়েছে। সড়কের এই অংশ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের। আবার এই সড়কের পশ্চিমের অংশ কামাল হোসেনের বাড়ির পাশে শেষ হয়েছে। এই অংশটি সুরমা ইউনিয়নে। মঙ্গলকাটা হতে বাঘমারা বাইপাস সড়ক হিসাবে ব্যবহারের জন্য দীর্ঘদিন আগে নির্মাণ করা হয়। কিন্তু দুই ইউনিয়নের অংশে নির্মাণ হওয়ায় সড়কের কোনো
উন্নয়ন হচ্ছে না।
সুরমা ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর আগে হালুয়ারঘাট ও মঙ্গলকাটা এলাকার মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে প্রায় পৌনে ১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এই বাইপাস সড়ক নির্মাণ করে দেন তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী মেজর (অব.) ইকবাল হোসেন চৌধুরী। দীর্ঘ এই সড়ক দিয়ে বাঘমারা, নলুয়া, কৃষ্ণনগর, বাণীপুর, মঙ্গলকাটা, মীরেরচর, ভৈষারপাড়, কোনাগাঁও ইত্যাদি এলাকার মানুষ মঙ্গলকাটা বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গ্রামে অতি সহজে আসা-যাওয়া করতে পারেন। এই সড়ক দিয়ে কৃষকেরা হাওরের ধান বাড়িতে আনা নেয়া করতে পারেন। তবে বর্ষায় সড়কটি ডুবে যায়।
জাহাঙ্গীরনগর ইউপি সদস্য মো. আব্দুল মোতালিব জানান, সড়কের বেশিরভাগ অংশ সুরমা ইউনিয়নে পড়েছে। গরু-বাছুর নিয়ে জমিতে যেতে কৃষকদের অসুবিধা হয়। তাই সংস্কারের জন্য আমি একবার বরাদ্দ এনেছিলাম। পরে এই বরাদ্দ কেটে নেয়া হয়েছে সুরমা ইউনিয়নে।
সুনামগঞ্জ উত্তর সুরমা উন্নয়ন পরিষদের আহ্বায়ক মো. আব্দুর রব বলেন,‘মঙ্গলকাটা-বাঘমারা সড়ক সহজ যোগাযোগের অন্যতম সড়ক। কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এই বাইপাস সড়ক ব্যবহার করেন। এই সড়কটি প্রয়াত খাদ্যমন্ত্রী মেজর (অব.) ইকবাল হোসেন চৌধুরীর স্মৃতিবহন করে আসছে। ইতিমধ্যে সড়কটি মেজর ইকবাল সড়ক নামে এলাকায় বেশ পরিচিতি পেয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে বেষ্টিত এই সড়কের দৃষ্টিনন্দন উন্নয়ন চাই।’
সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুছ সাত্তার বলেন,‘বাঘমারা-মঙ্গলকাটা সড়কের উন্নয়নের চেষ্টা করব।’
সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন,‘বাঘমারা থেকে মঙ্গলকাটা সড়কের উন্নয়নের জন্য কোনো প্রকল্প নেয়া হয়নি। এসব সড়কের উন্নয়নে সদরের এমপি মহোদয় বরাদ্দ দেন।’
দুই ইউপি’র অবহেলিত
সড়ক পাকাকরণ দাবি
আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার সুরমা ও জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের অংশে অবস্থিত বাঘমারা-মঙ্গলকাটা সড়ক। দুই ইউনিয়নের অংশ মিলে মাটি ভরাট করে এই বাইপাস সড়ক নির্মাণ হয়েছে। সহজ যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে এই সড়ক দিয়ে ১০ গ্রামের মানুষ চলাচল করে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের সংস্কার না হওয়ায় বিভিন্ন অংশের মাটি সরে গেছে, ছোট ও বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তাই সড়ক পাকাকরণের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এই বাইপাস সড়কটি হালুয়ারঘাট-মঙ্গলকাটা সড়কের পাশে মঙ্গলকাটা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আকবর আলীর বাড়ির পাশে দিয়ে পূর্ব অংশের শুরু হয়েছে। সড়কের এই অংশ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের। আবার এই সড়কের পশ্চিমের অংশ কামাল হোসেনের বাড়ির পাশে শেষ হয়েছে। এই অংশটি সুরমা ইউনিয়নে। মঙ্গলকাটা হতে বাঘমারা বাইপাস সড়ক হিসাবে ব্যবহারের জন্য দীর্ঘদিন আগে নির্মাণ করা হয়। কিন্তু দুই ইউনিয়নের অংশে নির্মাণ হওয়ায় সড়কের কোনো
উন্নয়ন হচ্ছে না।
সুরমা ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর আগে হালুয়ারঘাট ও মঙ্গলকাটা এলাকার মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে প্রায় পৌনে ১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এই বাইপাস সড়ক নির্মাণ করে দেন তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী মেজর (অব.) ইকবাল হোসেন চৌধুরী। দীর্ঘ এই সড়ক দিয়ে বাঘমারা, নলুয়া, কৃষ্ণনগর, বাণীপুর, মঙ্গলকাটা, মীরেরচর, ভৈষারপাড়, কোনাগাঁও ইত্যাদি এলাকার মানুষ মঙ্গলকাটা বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গ্রামে অতি সহজে আসা-যাওয়া করতে পারেন। এই সড়ক দিয়ে কৃষকেরা হাওরের ধান বাড়িতে আনা নেয়া করতে পারেন। তবে বর্ষায় সড়কটি ডুবে যায়।
জাহাঙ্গীরনগর ইউপি সদস্য মো. আব্দুল মোতালিব জানান, সড়কের বেশিরভাগ অংশ সুরমা ইউনিয়নে পড়েছে। গরু-বাছুর নিয়ে জমিতে যেতে কৃষকদের অসুবিধা হয়। তাই সংস্কারের জন্য আমি একবার বরাদ্দ এনেছিলাম। পরে এই বরাদ্দ কেটে নেয়া হয়েছে সুরমা ইউনিয়নে।
সুনামগঞ্জ উত্তর সুরমা উন্নয়ন পরিষদের আহ্বায়ক মো. আব্দুর রব বলেন,‘মঙ্গলকাটা-বাঘমারা সড়ক সহজ যোগাযোগের অন্যতম সড়ক। কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এই বাইপাস সড়ক ব্যবহার করেন। এই সড়কটি প্রয়াত খাদ্যমন্ত্রী মেজর (অব.) ইকবাল হোসেন চৌধুরীর স্মৃতিবহন করে আসছে। ইতিমধ্যে সড়কটি মেজর ইকবাল সড়ক নামে এলাকায় বেশ পরিচিতি পেয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে বেষ্টিত এই সড়কের দৃষ্টিনন্দন উন্নয়ন চাই।’
সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুছ সাত্তার বলেন,‘বাঘমারা-মঙ্গলকাটা সড়কের উন্নয়নের চেষ্টা করব।’
সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন,‘বাঘমারা থেকে মঙ্গলকাটা সড়কের উন্নয়নের জন্য কোনো প্রকল্প নেয়া হয়নি। এসব সড়কের উন্নয়নে সদরের এমপি মহোদয় বরাদ্দ দেন।’


