স্টাফ রিপোর্টার
দোয়ারাবাজার উপজেলা সদর এলাকায় সুরমা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন রোধ করতে দেড় কোটি টাকা টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ।
ওই টাকা দিয়ে ভয়াবহ ভাঙ্গন কবলিত প্রধান দুইটি এলাকায় জিওটেক্সটাইলের বস্তা ফেলে ভাঙ্গন রোধ করা হবে বলে জানা গেছে।
রবিবার জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় উপজেলা সদর এলাকার নদী ভাঙ্গন রোধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীকের এমন প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী।
সভায় নদী ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ভূঁইয়া।
সভায় তিনি জানান, বালিভর্তি জিওটেক্সটাইল বস্তা ফেলে ভাঙ্গন রোধ করতে দেড় কোটি টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাক্কলন তৈরি করে দরপত্র আহবান করে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে খুব দ্রুত কার্যাদেশ প্রদান করা হবে যাতে কাজ শুরু করে উপজেলা সদর এলাকাটি রক্ষা করা যায়।
দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক বলেন,‘ উপজেলা পরিষদ এলাকাটি সুরমা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করতে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছিলাম। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন দেড় কোটি টাকার বরাদ্দ এসেছে। দরপত্র আহবান করে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রধান দুইটি এলাকা রক্ষার কাজ শুরু হবে।’
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর পওর শাখা-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী খুশি মোহন সরকার বলেন,‘ দোয়ারাবাজার উপজেলা সদর এলাকার সুরমা নদীর দুইটি অংশে ২৩০ মিটার নদী ভাঙ্গন রোধ করতে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার বরাদ্দ হয়েছে। নদী ভাঙ্গন রোধে বালি ভর্তি জিও টেক্সটাইল বস্তা ফেলা হবে। কাজের দরপত্র আহবান করে ঠিকাদার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ঠিকাদার ইতোমধ্যে ওই প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এখন চুক্তি হওয়ার পর চলতি মাসেই কাজ শুরু হবে।’


