দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজার উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (পিআইও) এসএম করিমের আচরণ ও ঘুষ-দুর্নীতিতে অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন উপজেলাবাসী। জানা যায়, দোয়ারা সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম রাখালকান্দি গ্রামে সংসদ সদস্যের দেয়া রাস্তার কাজের কমিটির নামের তালিকা জমা দেয়া যায় কিনা এবং নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম একটি রাস্তার কাজের লিস্টে তার নাম আছে কিনা জানার জন্য পিআইও অফিসে যান। এসময় পিআইও এসএম করিম উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘এসব বিষয়ে আমি জানিনা। আসলে ‘দোয়ারাবাজার বাসী নটি আর ছাতকবাসী
সন্ত্রাস’। এসব লোকদের নিয়া এমপি চলে কি করে। এদের নিয়া চলা যায়না।’
এমন কটুক্তিমূলক মন্তব্যের কিছু সময় পরে এলাকার কিছু লোক পিআইও অফিসে গেলে কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনা দেখা দেয়। উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক দোহালীয়া ইউপি চেয়ারম্যান যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ফখর উদ্দিন উভয় পক্ষকে শান্ত করেন।
সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম বলেন, ‘পিআইও উপজেলাবাসীকে গালি দেয়ার সাথে সাথে আমি তার প্রতিবাদ জানিয়েছি। এমনকি এমপি সাহেব কে নিয়েও তিনি মন্তব্য করেছেন।’
উপজেলা নদী ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম বলেন, ‘পিআইও অত্যন্ত খারাপ কটুক্তি করেছেন। অবিলম্বে তাকে অপসারণ করা না হলে সর্বস্তরের উপজেলাবাসীকে নিয়ে আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।’
উপজেলা ত্রান ও পুণর্বাসন কর্মকর্তা এসএম করিম জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি গালি দিয়েছি, যারা খারাপ তাদের গায়েই লাগবে। আমি গালি দেয়ার পর ইউপি সদস্য আবুল কালামের গায়ে লেগেছে সেজন্য সে এলাকায় এসব কথা প্রচার করছে। আমি সবাইকে গালি দেইনি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মহুয়া মমতাজ বলেন, ‘পিআইও এসব গালি দিতে পারেনা। লিখিত অভিযোগ দিলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


