দ.সুনামগঞ্জে অভয়াশ্রম সেচে মৎস্য নিধন

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ অফিস
দক্ষিণ সুনামগঞ্জে সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে অভয়াশ্রমে সেচ করে মৎস্য নিধন করে মাছের বংশ ধ্বংস করা হচ্ছে। উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নের কাঠালিয়া গ্রামের পূববর্তী চাতল উদয়তারা জলমহাল শুকিয়ে মৎস্য নিধন করা হচ্ছে।
জানা যায়, চাতল উদয়তারা জলমহালটি বিগত ৬ বছর আগে লিজ নেয় কাঠালিয়া আক্তাপাড়া মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী জলমহাল সেচ করে শুকিয়ে মৎস্য নিধনে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন কয়েকদিন যাবৎ চাতল উদয়তারা গ্রুপ জলমহালের বিভিন্ন গ্রুপ শুকিয়ে মাছ আহরণ করছে। সর্বশেষ উদয়তারা জলমহালে মূল বেই (তলা) শনিবার রাতে লোক চক্ষুর অন্তরালে পানির পাম্প দিয়ে সেচ করে শুকিয়ে দেশীয় প্রজাতির হাজার হাজার মা মাছ নিধন করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, ক্ষমতার দাপট খাটিয়ে বিগত ৬ বছর যাবৎ জলমহাল শুকিয়ে বড় বড় মা মাছগুলো নিধন করে মাছের বংশ ধ্বংস করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে চাতল উদয়তারা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অভয়াশ্রমের সেচ করার কথাটি অস্বীকার করেন।
উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী রাশেদুল ইসলাম জানান, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে নিষেধ করা সত্ত্বেও সমিতির লোকজন কেন তা করলো এই বিষয়ে বিহীত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রতিবেদন পাঠাবো।
উপজেলা মৎস্য অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা শরিফুল আলম জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমার অফিসের লোকজন পাঠিয়ে অভয়াশ্রম সেচ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। কিন্তু লোকজন রাতের আঁধারে অভয়াশ্রম সেচ করে মৎস্য নিধন করছে।