ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশা উপজেলায় জলমহাল সেচে মাছ শিকারের অভিযোগে আদালতে মামলা করা হয়েছে। অতিরিক্ত মৎস্য কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম ব্দাী হয়ে জলমহালের ইজারাদার জগদীশ বর্মণসহ তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। গত বুধবার ধর্মপাশা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন তিনি।
জানা যায়, উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের পাথারিয়াকান্দা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি জগদীশ বর্মণ জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনাধীন শাসকা জলমহালটি পাঁচ বছরের জন্য ইজারা নেন। গত ২ মার্চ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শাসকা জলমহালে গিয়ে দেখতে পান সেখানে দুটি শ্যালো মেশিন দিয়ে জলমহাল সেচে ইজারাদারের লোকজন মাছ শিকার করছে। মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ অনুযায়ী শাসকা জলমহালের ইজারাদার জগদীশ বর্মণসহ তিনজনকে আসামি করে গত ৮ মার্চ আদালতে মামলা করেন তিনি। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের বেরীকান্দা গ্রামের দুলু মিয়া ও পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বড়তলী বানিহাড়ি ইউনিয়নের কলুংকা গ্রামের মমিন মিয়া। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে ওই তিনজন আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবি আরফান আলী জানান, আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে জলমহাল সেচে মাছ শিকারের অপরাধে ওই তিনজন আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ অনুযায়ী জলমহাল সেচে মাছ শিকার করা অপরাধ। জলমহাল সেচে মাছ শিকারের আরও কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


