ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের অফিস সহকারি রতন সরকারের ওপর হামলা হয়েছে। রতন সরকারের দাবি ভিজিএফের চাল আত্মসাতের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করায় এ হামলার শিকার হয়েছেন তিনি।
এ নিয়ে রতন সরকার উপজেলার পল্লবী কোয়ার্টারের বাসিন্দা এমআর খান পাঠান ও সদর ইউনিয়নের নলগড়া গ্রামের
বাসিন্দা আ. ছালামের ছেলে মো. শামছুসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার বিকেলে উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা রতন মিয়াকে ভিজিএফের চালসহ আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে ওইদিন রাতেই রতন সরকার বাদী হয়ে ধর্মপাশা থানায় একটি মামলা করেন। মামলার কাজে রাত সাড়ে ১২টার দিকে থানায় অবস্থানকালে রতন সরকারের পেটে ব্যথা শুরু হলে তিনি উপজেলা ডমরেটরীতে ফিরে টাকা নিতে যান। অফিসের মোটরসাইকেলে যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় পায়ে হেটে হাসপাতাল সংলগ্ন ফার্মেসী থেকে ঔষধ সংগ্রহ করে তিনি উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরীণ সড়কে পৌঁছালে এমআর খান পাঠান তাঁর গতিরোধ করে। এ সময় এমআর খান রতন সরকারের কাছে যা কিছু সব বের করে দিতে বলে। রতন সরকার এতে অসম্মতি জানালে মো. শামছুসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাঁকে ঝাপটে ধরে এবং মারধর করতে থাকে। এতে রতন সরকার গুরুতর জখম হয়। পরে রতন সরকারের চিৎকার শুনে লোকজন ছুটে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
অভিযুক্ত এমআর খান পাঠান ও মো. শামছু স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। রতন সরকার অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকায় স্থানীয় লোকজন তাকে মারধর করেছে। চাল আত্মসাতকারীর সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন খন্দকার বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগপত্রটি ধর্মপাশা থানায় পাঠানো হয়েছে।’


