ধর্মপাশায় মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে জেলেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চারজন জেলেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বড়াইয়া নদী ও নান্না দশপাশা জলমহালে বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে ছয়জন জেলেকে আটক করা হয়।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল এগারটায় ধর্মপাশা থানা পুলিশের সহায়তায় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম অভিযানে যান। মশারি জাল দিয়ে বড়াইয়া নদীতে মাছ শিকার করার দায়ে দুইজন জেলেকে আটক করেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে তিনি তাদের ছেড়ে দেন। অপর দিকে ওই দিন দুপুর  একটায় নান্না দশপাশা জলমহালে শ্যালো মেশিন দিয়ে জলমহালের পানি শুকিয়ে মাছ শিকার করার সময় সেখান থেকে চারজনকে আটক করেন। পরে দুইজনকে রেখে বাকি দুইজনকে ছেড়ে দেন।
উপজেলার একাধিক ইজারাদার জানান, যেসব ইজারাদার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে টাকা দেয় সেসব ইজারাদার জলমহাল সেচে মাছ শিকার করলেও তিনি তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থ গ্রহণ করেন না। যাদের কাছ থেকে তিনি কোনো সুযোগ সুবিধা পান না সেখানেই তিনি অভিযান চালান।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, টাকা নিয়ে জেলেদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। নান্না দশপাশা জলমহালে দুটি শ্যালো মেশিন দিয়ে জলমহালের পানি শুকিয়ে মাছ শিকার করার সময় চারজনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে মিস্টি মিয়া ও রবিন মিয়াকে বৃহস্পতিবার রাত আটটায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে পাচঁ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাকি দুইজনের মধ্যে একজনের বয়স কম ও অন্যজন অসুস্থ থাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন খন্দকার বলেন, জলমহালের পানি শুকিয়ে মাছ শিকার করা বেআইনী। নান্না দশপাশা জলমহাল সেচে মাছ শিকার করার অপরাধে দুইজন জেলেকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।