নববর্ষে উৎসবের পরিবর্তে প্রতিবাদী অনুষ্ঠান করবে উদীচী

স্টাফ রিপোর্টার
জেলা উদীচীর জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল ৪টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির মহড়া কক্ষে জেলা উদীচীর সভাপতি শীলা রায়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম’র পরিচালনায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণ উৎসব না করে প্রতিবাদী অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ মঙ্গল শোভাযাত্রার পরিবর্তে কৃষকদের দাবি-দাওয়া সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে প্রতিবাদী র‌্যালি, দেশের গান, গণসংগীত, নাটক, আবৃত্তি।
পহেলা বৈশাখে জেলা উদীচীর সদস্যরা বর্ষবরণের নতুন পোশাক ক্রয় না করে এই অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করবেন পাশাপাশি অনুষ্ঠান স্থল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহযোগিতার জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হবে এবং অনুষ্ঠানে কৃষকদের মুখ থেকে দু:খ-দুর্দশার কথা শোনা হবে।
এছাড়াও সভা থেকে প্রশাসন এবং শহরের সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতি আহবান জানানো হয় যে, জাঁকজমকপূর্ণ     
মঙ্গল শোভাযাত্রা না করে কৃষকদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করা এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহকে প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করার জন্য।
সভায় সুনামগঞ্জ জেলাকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা এবং বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িতদের শাস্তি দাবি করা হয় এবং হাওর বাঁচাও সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলন এর সকল কর্মসূচির সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে একাত্মতা ঘোষণা করা হয়। পহেলা বৈশাখের পূর্বে উদীচীর ৭টি উপজেলা শাখায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় জেলা উদীচীর নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রমেন্দ্র দে মিন্টু, সঞ্চিতা চৌধুরী, অভিজিত চৌধুরী, ডা. সালেহ আহমদ আলমগীর, গৌরী ভট্টাচার্য্য, নির্মল ভট্টাচার্য্য, মানব চৌধুরী, চন্দন রায়, ইকবাল কাগজী, উৎপল খাসনবিশ, অঞ্জন চৌধুরী, অ্যাড. প্রসেনজিৎ দে, শুক্লা রায় চৌধুরী, পংকজ দে, অ্যাড. মতিয়া বেগম, মিজানুর রহমান, মো. মাইনুদ্দীন, অন্তরা খাসনবিশ, পুলক রাজ, সৌমিত্র সাগর, অয়ন চৌধুরী, চন্দনা পাল, রুবাইয়া আলতাফ সহ সংগীত, নাটক ও আবৃত্তি বিভাগের সদস্যবৃন্দ।