দিরাই প্রতিনিধি
দিরাই শাল্লা উপ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছায়েদ আলীর পক্ষে জেলা বিএনপির আহবায়ক নাছির উদ্দিন চৌধুরীর প্রকাশ্য প্রচারণায় বিব্রতবোধ করছে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ভোট বর্জনের আহবান জানিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে দিরাই প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের একাংশ এ সংবাদ সম্মেলন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, জেলা বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক, দিরাই পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও দিরাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক হুমায়ন কবির তালুকদার।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পৌর যুবদলের আহবায়ক লিপন হাসান চৌধুরী, পৌর বিএনপির সহ সভাপতি আব্দুস সামাদ মিয়া, পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মিলাদ, উপজেলা ছাত্র দলের যুগ্ম আহবায়ক আবু হাসান চৌধুরী সাজু, নাঈম ইসলাম, শাহিনুর রহমান শাহিন, রাজু চৌধুরী প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তামাশার নির্বাচনে আমাদের অবস্থান জানিয়ে দেওয়ার জন্য দিরাই উপজেলা
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুস শহীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপি ও বিশ (২০) দলীয় জোটকে ঐক্যবদ্ধ রেখে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের আহব্বানকে সমুন্নত রেখে এই অবৈধ আওয়ামী সরকারের উপ-নির্বাচনে ভোট বর্জনের আহব্বান জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, বিএনপিসহ বিশ দলীয় জোট বর্তমান ভোট বিহীন অবৈধ সরকারের অধীনে ৫ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন থেকে অনুষ্ঠিত সকল সংসদ নির্বাচন বর্জন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ৩০শে মার্চ দিরাই-শাল্লা আসনে উপনির্বাচনেও বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোট অংশ নিচ্ছে না। কিন্তু সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নাছির উদ্দিন চৌধুরী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ধনকুবের ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন রেজুর পক্ষে নিজ অনুসারীদেরকে নিয়ে প্রকাশ্য নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিসের স্বার্থে উনি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় লিপ্ত রয়েছেন দিরাই-শাল্লার বিএনপি তথা সাধারণ জনগণের তা বোধগম্য নয়। এজন্য বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী হিসাবে আমরা বিব্রত। উনি রাজনীতিকে ব্যবসায় রুপান্তর করে টাকার কুমির ছায়েদ আলী মাহবুব হোসেন রেজুর নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন যা দল ও জোটের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও বেদনাদায়ক। আর এ কারণে দিরাই-শাল্লাসহ জেলার প্রায় সব জায়গায় বিএনপি দ্বিধা বিভক্ত। জেলা বিএনপির আহব্বায়ক নাছির উদ্দিন চৌধুরীর এসব অনৈতিক ও স্বেচ্ছাচারী কর্মকান্ড আমলে নিতে দলের সবোর্চ্চ নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ২০০১ সালে নাছির চৌধুরী জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপিতে যোগদান করে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করেন। কিন্তু তার অদূরদর্শীতার কারণে পরাজয় বরণ করেন তিনি। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের উনি দলীয় কর্মকান্ড ও দল থেকে বিছিন্ন করতে সব রকম চেষ্টা চালান। উনার এহেন তৎপরতায় নিবেদিতপ্রাণ বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা চরম হতাশ ও ক্ষুব্ধ।
- শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে -নুরুল হুদা মুকুট
- নেতা-কর্মীদের প্রতি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন-জয়া সেনের নৌকাকে বিজয়ী করুন


