বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ভর্তির নামে অতিরিক্ত ফি আদায় করা হয়েছে। অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থী অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দায়ের করলে সোমবার তদন্তে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়ের সত্যতা পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
অভিভাবকদের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পলাশ উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তির নামে ফরম বিক্রি করেন একশত টাকা। তাছাড়া দুই শতাধিক শিক্ষার্থীদের ফেল দেখিয়ে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা করে ফি নিয়ে ভর্তিও সুযোগ দেয়া হয়েছে।
অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া সুলতানা বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছারুয়ার আলমকে দায়িত্ব প্রদান করেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোমবার অভিযোগের তদন্ত করেছেন। তদন্তে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছারুয়ার আলম জানান, পলাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার সরজমিনে তদন্তের জন্য উপস্থিত হলে শত শত অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান কর্তৃক অতিরিক্ত ফি আদায়ের সত্যতা পাওয়া যায়। প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় উন্নয়নের স্বার্থে অতিরিক্ত ফি নিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।
তিনি আরো জানান, দুই শতাধিক ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, ৯ম শ্রেণীতে ৫০ টাকা ও ১০ম শ্রেণীতে ৩০ টাকা
অতিরিক্ত টাকা আদায় করেছেন। উক্ত টাকার আয় ব্যয়ের কোন সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি।
প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন,‘বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের মতামতের ভিত্তিতে স্কুলের উন্নয়নের স্বার্থে অতিরিক্ত ফি নেওয়া হয়েছে।
- দিরাই-শাল্লা উপ নিবার্চন জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা
- শাল্লা আ.লীগ নেতা নরেশ চৌধুরীর পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলা


