পাগলায় ওএমএসের চালের বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি

পাগলাবাজার প্রতিনিধি
ডিলারের মাধ্যমে ১৫ টাকা প্রতি কেজি দরে বিভিন্ন ইউনিয়নে চাল বিক্রি হচ্ছে। প্রথমে সরকার প্রতিদিন ৪ শ’ জনের কাছে চাল বিক্রি করার সুযোগ দিলেও বর্তমানে বিক্রি করতে হচ্ছে ২শ জনের কাছে। চাহিদার তুলনায় চালের পরিমাণ অপ্রতুল হওয়ায় চাল নিতে আসা অনেককেই ফিরতে হয় খালি হাতে। ভোরের আলো ফুটে উঠার আগেই যারা এসে লাইনে দাঁড়াতে পারেন সকাল ৯ টার সময় তারা ৭৫ টাকায়        
৫ কেজি চাল কিনে বাড়ি ফিরতে পারছেন। যারা কিনতে পারছেন না, তারা হতাশ হয়ে চাল বাড়ানোর দাবি করছেন।
চালের বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি ডিলারদেরও। পাগলা বাজারের ওএমএসের ডিলার মো. ইমরান হোসেন তালুকদার জানান, ‘মানুষের চাহিদা বেশি হওয়ায় নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল বিতরণ শেষে বাকীদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে হয়। পরে তারা আমাদের দোষারোপ করে। আমাদেরও খারাপ লাগে। যদি বরাদ্দের পরিমাণ আরো বাড়ানো যেতো তাহলে ভাল হতো।’
চাল নিতে আসা পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রঞ্জু বিশ্বাসের স্ত্রী পূর্ণিমা বিশ্বাস, ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত. আবদুল হেকিমের ছেলে রিকশা চালক সোহেল মিয়া জানান, প্রতিদিন সকালে এসে লাইনে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। যেদিন ২ শ’ জনের ভিতরে দাঁড়াতে পারি সেদিন চাল পাই, না হয় পাই না।
চাল ওজনে কম দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ব্রাহ্মণগাঁওয়ের মৃত ইউনূছ মিয়ার স্ত্রী। তিনি বলেন, ৫ কেজি চালই নেই। তার মাঝে আধা কেজি এক কেজি কম হয়ে যায়।
ডিলার সহযোগী আজাদ হোসেন বলেন, আমরা ডিজিটাল মেশিনে চাল মেপে দেই। বাড়িতে নিয়ে মহিলারা পট (একধরণের চাল মাপার মগ) দিয়ে চাল মাপে। তাতে কিছু তারতম্য হয়। মেশিনে মাপানোর পর যদি চাল কম হয় তাহলে আমরা জবাব দিতে বাধ্য থাকবো। আমরা ৫ কেজির মাঝে কি-ই বা কম দেবো? চাল কম দেই না।