স্টাফ রিপোর্টার
ধর্মপাশায়, ছাতক ও শহরতলির নবীনগরে পানিতে ডুবে নিখোঁজ রয়েছে ৩ জন। শহরতলির নবীনগর-ধারারগাঁও সড়কের ভাঙ্গন পার্শ্ববর্তী এলাকায় কলা গাছের ভেলায় চড়ে খেলা করার সময় ডুবে এক কিশোর, ছাতকে বন্যার পানিতে এক কিশোর এবং ধর্মপাশায় মাছ ধরার সময় নৌকা ডুবে এক জেলে নিখোঁজ রয়েছে। এরা হচ্ছে কিশোর সরবত আলী ওরফে সৌরভ (১৫), জুমেন আবির (১১) এবং জেলে ননী দাস (৫০)। রোববার সকালে পৃথক পৃথকভাবে এই দুটি ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বেলা ১১ টায় সুনামগঞ্জ শহরতলির নবীনগর-ধারারগাঁও সড়কের ভাঙ্গন অংশে কলা গাছের ভেলা নিয়ে কিশোর সৌরভ ও রাসেল খেলার ছলে ঘুরছিল। হঠাৎ কলা গাছের ভেলা উল্টে সৌরভ ও রাসেল পানিতে ডুবে যায়। পরে রাসেল সাঁতার কেটে পাড়ে ওঠলেও সৌরভ ডুবে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সৌরভকে পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এবং পুলিশ রোববার বিকাল পর্যন্ত এলাকাবাসীর সহায়তায় ঘটনাস্থলের আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেছে। সৌরভ সদর উপজেলার বেরীগাঁও গ্রামের আলমাছ আলীর ছেলে।
এদিকে ছাতকে বন্যার পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ রয়েছে স্কুল ছাত্র জুমেন আবির (১১)। সে উপজেলা আ.লীগ নেতা, ইসলামপুর ইউনিয়নের গোয়ালগাঁও গ্রামের কামরুজ্জামানের ছেলে ও গোয়ালগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র।
রবিবার দুপুরে বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে সাঁতার কাটতে গিয়ে প্রবল স্রোতের মধ্যে জুমেন আবির পানিতে তলিয়ে যায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজা-খুঁজি করে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাকে উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন পরিবারের লোকজন ও গ্রামবাসী।
অপরদিকে, সকাল সাড়ে ৭ টায় ধর্মপাশার ধারাম হাওরে মাছ ধরতে যান জেলে সচীন্দ দাস ও ননী দাস। ঝড়ের কবলে পড়ে তাদের নৌকাটি ডুবে গেলে সচীন্দ্র দাসকে আশপাশে থাকা জেলেরা এসে উদ্ধার করে। কিন্তু ননী দাস (৫০) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন।
সদর থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী ও ধর্মপাশা থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিকালে বলেছেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে, নিখোঁজদের উদ্ধারের চেষ্টা হচ্ছে’।
- দিরাইয়ে একাধিক স্কুলে উপবৃত্তি কম দেয়ার অভিযোগ- বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফেরত দেয়া হলো টাকা
- খাসিয়ামারা রাবার ড্যাম আশীর্বাদ না অভিশাপ?


